রাজধানীর আদাবরে সেচ্ছাসেবক লীগ অফিসে হামলা

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী এবং এমপি'র ছবি ভাংচুর

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজধানীর আদাবর থানাধীন ১০০ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের অফিসে বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় এমপি সাদেক খানের ছবি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার রাত আটটার পরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। পরেরদিন রোববার সকালে ১০০ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক আপন মাহমুদ এ ব্যাপারে আদাবর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।

তবে, আদাবর থানা পুলিশ উক্ত ঘটনায় এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত কাউকে আটক করেননি বলে জানা যায়।

জিডি থেকে জানা যায়, রাজধানীর আদাবর থানার ১০০ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগের অফিসে হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাদেক খানের ছবি ভাংচুরের মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে। ঐ ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি হাজী জয়নাল আবেদীন ও জামাল হাজীর প্লটে দীর্ঘদিন যাবৎ ১০০ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। হঠাৎ করে গত ১৯ শে অক্টোবর সন্ধ্যায় আহবায়ক আপন মাহমুদকে দুই ঘন্টার মধ্যে অফিস ছাড়ার হুঁশিয়ারী দেন প্লটের মালিক জামাল হাজী।

পরে ঐ রাতেই আনুমানিক রাত আটটার পরে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীনের ছেলে মোঃ আবু সাইদ ৮ -১০ জনকে সঙ্গে নিয়ে উক্ত অফিসে হামলা চালিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সাদেক খানের ছবি ভাংচুর করে। এদিকে, তাদের হামলার পর জামাল হাজী গিয়ে অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

এবিষয়ে জানতে আহবায়ক আপন মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমরা থানায় জিডি করেছি এবং থানায় যেভাবে ভালো মনে করে তারা ঐভাবে মিমাংসা করে দিবেন। হামলার সত্যতা জানতে ওয়ার্ড সভাপতি আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীনের বাসায় গিয়ে জানা যায়, তিনি ঢাকার বাহিরে অবস্থান করছেন।

এলাকার স্থানীয়দের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, আমরা এই রকম ঘটনা শুনেছি তবে এ ঘটানার সাথে জমি দখল চেষ্টারও কিছুটা সম্পৃকতা রয়েছে। কারণ তারা এমন কাজ করে টাকা লেনদেনের মাধ্যমে মিমাংসা করে ফেলে।

তবে যেহেতু বঙ্গবন্ধু, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় এমপির ছবি ভাংচুর হয়েছে ব্যাপারটা খুবই নিন্দনীয়। দোষী যে কেউ হোক না কেন আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

ছবি ভাংচুরের ঘটনায় আদাবর থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ খলিল হাওলাদার মুঠোফোনে জানান, তিনি এ ঘটনা শুনেছেন বলে জানান।

আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ এস এম কাওসার আহমেদ আমার সময়কে জানান, আমরা এ ব্যাপারে শুনেছি এবং এর জন্য একজন অফিসারকে তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছি। আশা করছি তদন্ত করে আমরা দোষীদের বের করে আইননানুগ ব্যাবস্থা নিবো।

আরো পড়ুন