মাধবপাশা ইউপি চেয়ারম্যানের সুনাম ক্ষুন্ন করতে একটি মহল তৎপর

বরিশাল বাবুগঞ্জ উপজেলার বহু পরিচিত,আলোচিত, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, এমন কি মিডিয়া পাড়ায় যার সুনাম সবার মুখেমুখে,এছাড়া ৬ নং মাধবপাশা ইউনিয়নের জনদরদী। একজন দানবীর মো: সিদ্দিকুর রহমান। বাবু গঞ্জ উপজেলার মধ্যে ৬ নং মাধবপাশা ইউপিতে বিগত চেয়ারম্যানদের চেয়ে খুবই জনপ্রিয়। খোজ খবর নিয়ে জানা যায়, মাধবপাশা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান বহুগুনে প্রশংসিত । এই ইউনিয়নে উন্নয়ন, যোগাযোগ, শিক্ষা, ও আইন শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নয়নের ধারাকে অবহৃত রাখায় সকল মহলে প্রশংসিত তিনি। বলা চলে অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় এ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা সর্বোচ্চ শিখরে উপনীত হয়েছে। এমতাবস্থায়,জনগনের বন্ধু সিদ্দিকুর রহমানকে উন্নয়ন ধারাকে বাধাগ্রস্থ করতে একটি কুচক্রি মহল তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। ৬ নং মাধবপাশা ইউনিয়ন বাসি জানান, আমরা জানি সিদ্দিকুর নিজের জন্য কিছু করেনা জনগণের জন্যই করেন, চেয়ারম্যান হওয়ার আগ থেকেই তিনি ইউনিয়ন বাসির জন্য সাহায্য সহযোগিতা করেছেন।এখন তো তিনি চেয়ারম্যান ঐ ধারা অবহৃত রেখে আরও জনগণের মনের মধ্য আস্থা তৈরি করেছেন।তারা আরও জানান,প্রতিটা ওয়ার্ডের রাস্তা, কালর্ভাট নির্মাণ করেছেন নিজের পকেটের টাকায়।এরপর প্রতিবছর ঈদ,কুরবানিতে গরীব দুখী মানুষকে কাপড়, নগত অর্থ সাহায্য করে চলেছেন।কেননা তার শরীরে রয়েছে আদর্শ পরিবরে রক্ত।তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে কখনই কেউ সফল হবে না।মিডিয়ার লোক ভাড়া করে টাকা দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে কখনও সিদ্দিকুর রহমানকে জনগণ থেকে আলাদা করা যাবে না।তারা আরো বলেন, আমরা মনে করি এই মুহূর্তে সামাজিক নেতৃত্বের বিকাশ অনেক বেশি প্রয়োজন। কারণ, আমাদের সমাজ এখন নানা রকম ঘটনা-দুর্ঘটনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সেটি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকেও হচ্ছে।যার ফলে বিভিন্ন মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে লিটন মোল্লার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।এরই অংশ হিসেবে গত কয়দিন আগে মেম্বারের মাধ্যমে টাকা আত্মাসাত নামে এমন একটি খবর অনলাইন ও স্থানীয় একটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।যা সম্পূর্ন ষড়যন্ত্রমুলক, বানোয়াট ও মিথ্যা।যা শুধুই চেয়ারম্যান সাহেবের জনপ্রিয়তাকে ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা মাত্র।কাজেই ইউনিয়ন তথা বিভিন্ন সংগঠন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শুধু তাই নয় কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষী মহলের বিচার চায় এবং এসব হলুদ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানান।আমরা এ ধরনের হলুদ সাংবাদিকতার প্রতি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।পাশাপাশি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি।এ ব্যাপারে সিদ্দিকুর রহমান সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,প্রায় এক বছর হয়েছে আমি দায়িত্ব নিয়েছি।চেয়ার বসার পর দেখতে অনিয়ম ভরা। ওয়ার্ড গুলোর রাস্তার বেহাল দশা,কালভার্টে নাই। এই সব গুলো সমস্যা সরকারি বরাদ্দ পাশাপাশি আমার ব্যক্তিগত ২২ লাখ টাকা খরচ করছি।এর ভিতরে যতগুলো প্রকল্প এসেছ মেম্বারা তা বুজে নিয়ে কাজ করছে।এখনে আমার তো দুর্নীতি করার কোন সুযোগ নাই।আমি সচ্ছলতার মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনা করে চলছি। এসময় তিনি আরও বলেন,কিছু হলুদ সাংবাদিকরা আমার কাছ থেকে সুবিধা না পাওয়ায়, হেয়পতিপন্ন করার জন্য একটি মহল বার বার আমাকে জড়িয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করছে যা সম্পূর্ন ষড়যন্ত্রমুলক, বানোয়াট ও মিথ্যা।আমি তার তীব্র প্রতিবাদ ও নিদ্রা জানাই।

আরো পড়ুন