সম্মেলনকে ঘিরে আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে উৎসবের আমেজ

কবি আমজাদ,ঢাকা:

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় হাই কমান্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক দলের ২১ তম কাউন্সিল এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের কাউন্সিলের তারিখ ও দিনক্ষণ ইতোমধ্যেই ঠিকঠাক হয়ে গেছে।সেই সুবাদে দলীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজের হাওয়া বইছে বেশ কিছুদিন ধরেই।তবে এই আমেজ ধানমন্ডির দলীয় সভানেত্রীর কার্যালয়ে খুব বেশি দেখা না গেলেও নেতা কর্মীদের উপস্থিতি বেশ ভালোই লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

অন্যদিকে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তরের সম্মেলনকে ঘিরে গুলিস্তানের ২৩ বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউতে চলছে নেতা কর্মীদের মিছিল শোডাউন।

এখানে দীর্ঘ কয়েকদিন যাবৎ মহানগর দক্ষিণের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতা কর্মীদের নিয়ে মিছিল শোডাউন করে তাদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে এনেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনালী অর্জন সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার। তার সম্পর্কে ঢাকা মহানগরের সকল নেতা কর্মীদের ধারণা খুবই স্বচ্ছ প্রশংসনীয়।

কারণ তিনি রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়েছেন সেই মাধ্যমিকে থাকাকালীন সময়ে। এরপর রাজনীতিতে সকল ত্যাগ তিতিক্ষা পাড় করে লোভ লালসার মোহে না পড়ে আ’লীগের রাজনীতির হাল ছাড়েননি কখনোই। দীর্ঘ ১৪ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছায়াতলে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে।

২৩ বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউতে আসা কয়েকজন নেতা কর্মীর সাথে কথা বলে জানা যায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের আসন্ন সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে তাদের সুখে দুঃখে কাছে পাওয়া আবুল কালাম আজাদ হাওলাদারকেই মনে প্রাণে চাচ্ছেন তারা।বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা কর্মীদের অনেকেই বলছেন বিপদে আপদে বিশেষ করে নেতা কর্মী বা অন্য কোন মানুষও যদি অসুস্থ হয়ে রাজধানীর কোন না কোন হাসপাতালে ভর্তি থাকতেন খবর পাওয়া মাত্রই ছুটে যেতেন তিনি। সাহস দিতেন পাশে দাঁড়াতেন।

তারা বলেন বর্তমানে মিডিয়ার কল্যাণে অনেক রাজনৈতিক নেতাদের অপরাধের কথা আমরা শুনি কিন্তু তিনি জগন্নাথ   বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন করেছেন, ছিলেন রাজনীতির নিবেদিত প্রাণ।এরপর দীর্ঘ চৌদ্দ বছর যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক পদে করেছেন মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতি। আমরা তার বিরুদ্ধ কখনো  কোনো অপরাধের কথা তো শুনিনি। শুনিনি কখনো নেতা কর্মীদের সাথে রাগ করে কথা বলতে। আমরা চাই তাকে সভাপতি করে প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগের ফলাফল দিক আমাদের।তারা আরও বলছেন পরগাছা যেন সংগঠনের নেতৃত্বে না আসে।

এদিকে সম্মেলন প্রসঙ্গে আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার বলেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটাই চাওয়া তিনি যেন সংগঠনের ভেতর থেকেই ক্রমানুসারে ত্যাগীদের পদন্নোতি দেন।তাহলেই সংগঠনের অন্যান্য নেতা কর্মীরা কাজের মূল্যায়ন ও কর্ম স্পৃহা খুঁজে পাবেন।

উল্লেখ্য,গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর ২০১৯ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাননীয় সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনা এমপি’র নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কয়েকটি সহযোগী সংগঠনের সম্মেলনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

আগামী ৬ নভেম্বর ২১৯ বুধবার সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ কৃষক লীগ, আগামী ৯ নভেম্বর ২০১৯ শনিবার সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় শ্রমিক লীগ, ১৬ নভেম্বর ২০১৯ শনিবার সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ২৩ নভেম্বর ২০১৯ শনিবার সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে এবং মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন ১১ নভেম্বর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ও উত্তরের সম্মেলন ১২ নভেম্বর কৃষিবিদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়াও ২৯ নভেম্বর ২০১৯ শুক্রবার সকাল ১০টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনসমূহ সফল করার জন্য সার্বিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

কেএ/সময়ের কন্ঠ

আরো পড়ুন