শার্শায় পুটখালী সিমান্তের ত্রাস কাদের ও তার ৬ সহযোগী আটক। 

আসাদুর রহমান ,শার্শা প্রতিনিধি:: যশোরের পুটখালী সিমান্তের চোরচালানী

ঘাট নিয়ন্ত্রকারী ও অপরাধ জগতের ছত্রপতি এলাকার ত্রাস আব্দুল কাদের(৫৫) ও তার ৬ সহযোগী কে আটক করেছেন বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশের সদস্যরা। শনিবার ১০ জুলাই সকালে আটককৃতদের মারামারির মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কোর্টহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আটক আব্দুল কাদের পুটখালী গ্রামের মৃতঃমফিজ উদ্দিন এর ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে পুটখালী এলাকার বিটখাটাল জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রন করে আসছে বলে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে। আটককৃত সহযোগীরা হলো একি গ্রামের মোঃ জুলফিকার আলী (৪২) পিতা খয়বার আলী,শরিফুল ইসলাম(৫৪) ইশারত মোড়ল,ওলিয়ার রহমান(৪০) পিতাঃ তবি মোড়ল, মোঃ নুর হোসেন (৪২) মৃতঃ দেলোয়ার,মোঃ জাকির হোসেন (৪২) পিতা মহিব উদ্দিন ও পুটখালী গ্রামের মৃত সামসুলের ছেলে মোঃ তবিবর রহমান (৫২)। বেনাপোল পোর্টথানার ডিউটি অফিসার এস আই অবির আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান আটককৃতদের কোর্টহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বেনাপোল পোর্টথানার মামলা নং-৯ ও তাং-৯/৭/২১ইং। ঘটনার তথ্য সুত্রে স্থানীয়রা জানান জিরো থেকে হিরো হওয়া কাদের আগে স্টার এজেন্সির কর্মচারী ছিলো। গরু বাইপাস সহ নানা অনিয়মের দ্বায়ে স্টার এজেন্সী হতে চাকুরিচুত্য হলে সে এলাকায় আধিপত্য বজায় রাখতে নিজেই সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলে।বিভিন্ন সময়ে গ্রামের লোক জনদের বেধড়ক মারধর করে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে রাখে যাতে তাহার ভয়ে কেউ মুখ খোলা সহ প্রশাসনের দারস্থ হতে না পারে। গত ১ জুলাই তার নেতৃত্বে পুটখালী গ্রামের ইসমাইর বিশ্বাসের ৩ ছেলে শাহআলম বিশ্বাস(৪৮), ওলিয়ার বিশ্বাস(৫২) শাহাজান বিশ্বাস (৪৫) এবং একি গ্রামের শাহআলমের ছেলে আজমির বিশ্বাস(২৫) এর উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে মারাত্বক জখম করেন।ঐ হামলায় আরো ৯ জন গুরুতর আহত সহ তাদের ঘরবাড়ীতে ভাংচুর করে তান্ডব চালায়। যশোর সদর হাসাপাতালে চিকিৎসা নিয়ে শাহআলম বেনাপোল পোর্টথানায় অভিযোগ দ্বায়ের করেন ও একি সাথে বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন। রাত-দিন অনলাইন নিউজ পোর্টাল সহ পত্র পত্রিকায় খবরটি প্রকাশিত হলে পুলিশ প্রশাসন সরব হন। পুটখালি সিমান্তের ধুরন্ধর কাদের প্রশাসনিক নজর এড়াতে যশোরে অবস্থান করেই তার নিজিস্ব বাহিনী দিয়ে সিমান্ত এলাকায় নানা অপকর্ম করেন বলে আরো জানা যায়। কাদের ও তার সহযোগীদের আটকের খবরে ভ’ক্তভোগীরা প্রশাসনের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং তাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেছেন।

আরো পড়ুন