লালমোহনে অপহৃত কিশোরী কে ৬ ঘন্টার মধ্যে উদ্ধার করেছেন অফিসার্স ইনচার্জ মাকসুদুর রহমান মুরাদ॥ আটক-৪

এ. এইচ. রিপন লালমোহন প্রতিনিধি॥ ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড

রায়চাঁদ গ্রামের মোঃ শাহাবুদ্দিন নামের এক প্রবাসীর স্কুল পড়ুয়া কিশোরী
(১৭) কন্যাকে অপহরণের মামলার ঘটনায় অপহৃতা কে উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই
সাথে এ ঘটনায় জড়িত ৪জন কে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৫নং চরছকিনা
গ্রাম থেকে কিশোরীকে উদ্ধার ও জড়িত ৪ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন,
মোঃ শরিফ (২১), ফাহিমা বেগম (৩০), মোঃ তোফায়েল (৪০) ও বশির (৪০)। উদ্ধার
কিশোরী স্থানীয় এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।
মামলার বিবরণ ও কিশোরীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রমাগঞ্জ ৫নং ওয়ার্ড
রায়চাঁদ গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ শরিফ পেশায় রাজমিস্ত্রি। একই
এলাকার প্রবাসী মোঃ শাহাবুদ্দিনের বাসায় কাজ করার সুবাধে তার কন্যাকে
কুপ্রস্তাব দিত ও উত্ত্যাক্ত করতো সে। এ নিয়ে জানাজানি হলে স্থানীয়
গণমান্যরা শরীফকে অন্যায় থেকে ফিরে আসতে বলে। এতে ক্ষিপ্ত গত ২৩ জুন
(বুধবার) রাতে সুযোগ বুঝে মেয়েটিকে অপহরণ করে শরীফ।
পরে মেয়েকে উদ্ধার ও শরীফের বিচার দাবি করে লালমোহন থানায় মামলা দায়ের
করেন কিশোরির মা খাদিজা বেগম। মামলা নং ২২, তারিখ ২৫ জুন ২০২১।
এদিকে লালমোহন থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে অভিযান
চালিয়ে উপজেলার কালমা ৫নং ওয়ার্ড চরছকিনা গ্রামে শরীফের মামার বাড়ি থেকে
কিশোরীকে উদ্ধার করেন এবং অপহরণে জড়িত থাকার দায়ে শরীফসহ ৪জনকে গ্রেফতার
করে পুলিশ।
লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাকসুদুর রহমান মুরাদ বলেন,
প্রবাসী শাহাবুদ্দিনের মেয়েকে অপহরণের ঘটনায় তার স্ত্রী বাদি হয়ে মামলা
দায়ের করেন। তারই সূত্র ধরে আমরা ওই কিশোরীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হই এবং
মামলার এজাহারভুক্ত ৪ আসামীকে আটক করে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
এদিকে স্কুল পড়ুয়া কিশোরীকে উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ কে ধন্যবাদপূর্বক
অপহরণের ঘটনায় জড়িতদের কঠিন সাজার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আরো পড়ুন