রোজা রেখে কৃষকের ধানকেটে দিলেন উপজেলা যুবলীগ

মো: ইমাম উদ্দিন সুমন, নোয়াখালী প্রতিনিধি:  সুবর্ণচরে প্রখর রৌদ্র ও তাপদাহ উপেক্ষা করে রোজা রেখে কৃষকের ধানকেটে দিলেন সুবর্ণচর উপজেলা যুবলীগ নেতৃবৃন্দ। এসময় স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা কর্মিরাও অংশ নেন, নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় ২নং চরবাটা ইউনিয়ন যুবলীগ এর উদ্যোগে কয়েকজন অসহায় কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দেন তারা ।

 

সুবর্ণচর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও ২ নং চরবাটা ইউনিয়ন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী আমিনুল ইসলাম রাজিব এর নির্দেশে উপজেলার সকল ইউনিয়নে এ ধান কাটা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি, এর আগেও তিনি কৃষক এবং ঘর বন্ধী মানুষের পাশে ছিলেন।

 

বুধবার ২৮ এপ্রিল দুপুর ২টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত চলে এ ধান কাটা, উপজেলার মহাদেব বাজার সংলগ্ন ফসলি জমিতে ধান কাটেন তারা, অসহায় কৃষক সমির চক্রবর্তী  বলেন, দেশের বর্তমান করোনা সংকটে পড়ে ধান কাটার মানুষ ও অর্থনৈতিক সংকটে নিজের চাষের ধান কাটতে যখন চিন্তিত তখন, মানবতার ফেরিওয়ালা বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সুবর্ণচর উপজলো শাখার নেতা কর্মিরা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সুবর্ণচর উপজেলা যুবলীগের সদস্য শোভারাজ খান কেফায়েত উল্যাহ, রাজিব চক্রবর্তী, মাইন উদ্দিন বারেক, ২ নং চরবাটা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ফয়সাল মাহমুদ আকাশ ও সাধারণ সম্পাদক এনায়েত নেতাকর্মীরা ধান কাটায় অংশ নেন।

 

উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও ২ নং চরবাটা ইউনিয়ন থেকে নৌকা প্রতিক নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী আমিনুল ইসলাম রাজিব বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামি যুবলীগের দেশের স্বাধীনতার পূর্ব থেকে মানুষের যে কোন প্রয়োজনে, আন্দেলন সংগ্রামে, দূর্যোগ মোকাবেলায় সাথে ছিল,আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সময়ের বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসের দি¦তীয় ঢেউ সৃষ্ট প্রভাব যতদিন কৃষকের মাঝে সংকট হয়ে থাকবে, ততদিন আমাদের প্রিয় নেতা একরামুল করিম চৌধুরী এমপির নির্দেশনামতে,সুবর্ণচর উপজেলা যুবলীগ এর সব ইউনিট কৃষকের পাশে থাকবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে নির্দেশনা দিয়েছেন বাংলাদেশ যুবলীগ তা পালনে অঙ্গীকারাবদ্ধ। আমাদের সবার প্রিয় নেতা একরামুল করীম চৌধুরী ও তাঁর সুযোগ্যপুত্র সাবাব চৌধুরী কৃষকের পাশে থাকার যে নির্দেশনা দিয়েছেন তা শতভাগ পালনে চেষ্টা করছে যুবলীগ।

 

কৃষক সমির চক্রবর্তী বলেন, এমন দুঃসময়ে আমার পাশে যুবলীগের নেতাকর্মীরা না দাঁড়ালে আমার পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে দিন পার করতে হতো। রোজা থেকে সবাই যে কষ্ট করে আমার ধান কেটে সাহায্য করেছেন,তার জন্য আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ। স্থানীয় মানুষদের মাঝে যুবলীগের এমন কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় হয়ে উঠেছে।

 

আরো পড়ুন