যশোর অভয়নগরে ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ।

মোঃকামাল হোসেন, অভয়নগর প্রতিনিধি:-যশোর অভয়নগরে ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসে সীমাহীন দুর্নীতি-নৈরাজ্য চলছে। দালাল-প্রতারক চক্র থেকে শুরু করে রেজিস্ট্রি অফিস পর্যন্ত প্রত্যেকের হয়রানিতে সাধারণ মানুষ দিশেহারা ও জিন্মি হয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার শংকরপাশা গ্রামের মৃত সাইজউদ্দিন আকুঞ্জীর পুত্র মুত আরব আলীর পুত্র মোঃ আনছার আলী উপজেলার রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে জানতে পারেন তার দাদী কাফুরুন নেছার ভূয়া ওয়ারেশ সেজে একই উপজেলার বুনোরামনগরের মৃত আবেদ আলী আকুঞ্জীর পুত্র মোঃ করম আলী আকুঞ্জী একই গ্রামের বাসিন্দা হাজী ওলিয়ার শেখের পুত্র মোঃ জাহাঙ্গীর আলম শেখের নিকট ৬নং বাঘুটিয়া ইউনিয়নের বুনোরামনগর মৌজার এসএ ৬ আরএস ৫৯নং উল্লেখ করতঃ ৬২ দাগের ১৩.১৪ শতক ডাঙ্গা জমি ২,৬০,০০০/-(দুই লক্ষ ষাট হাজার) টাকায় কবলা দলিল মূলে বিক্রয় করেছে যার দলিল নং ১৫৯৪/২১, তাং ০২/০৩/২১। জাতীয় পরিচয়পত্রে আনছার আলীর দাদার নাম সাইজউদ্দিন আকুঞ্জী, দাদির নাম কাফুরুন নেছা এবং করম আলীর পিতার নাম আবেদ আলী আকুঞ্জী, মায়ের নাম কাহরুন নেছা লেখা থাকা স্বত্বেও জালিয়াতি প্রতারক চক্র রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করেছে।

আনছার আলী সাংবাদিকদের বলেন, মোঃ করম আলী আমাদের কোন শরীক না। কিভাবে আমাদের দখলীয় পৈত্রিক সম্পত্তি রেজিস্ট্রি কবলা মূলে বিক্রয় করল তা জানা নেই। হঠাৎ করে করম আলী তার গুন্ডা পান্ডা ও ভূমি দস্যু জাহাঙ্গীরকে নিয়ে আমাদের জায়গা দখলের পায়তারা করছেন।

আমি এ বিষয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও ব্যার্থ হয়ে বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছি। দলিলের বিষয়ে খোঁজ নিতে রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে রেজিস্ট্রি অফিসের ইব্রাহিমের কাছে জানতে পারি জমিটি দলিল হয়ে গেছে এবং দলিল রদ করার জন্য মামলা করতে হবে।

বুনোরামনগরের বাসিন্দা আলী বলেন, জমি বিক্রেতা করম আলী এলাকায় একজন প্রতারক হিসাবে পরিচিত এবং কাফুরুন নেছার ওয়ারেশ নন। জমির ক্রেতা জাহাঙ্গীরও এলাকায় প্রতারক ও সন্ত্রাসী হিসাবে পরিচিত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিস্ট্রি অফিসের নকলনবিশ ইব্রাহিম সাংবাদিকদের বলেন, এখন কিছুই করার নেই, দলিল রদ করার জন্য মামলা করতে হবে।

আরো পড়ুন