যশোরে বিকেএসপির দুই শিক্ষার্থী কর্তৃক চার শতাধিকের বেশি মাস্ক বিতরণ

স্বীকৃতি বিশ্বাস, যশোরঃ

অদৃশ্য ভাইরাস করোনার সংক্রমণ প্রতিদিনই সাইক্লোনের গতিতে বেড়েই চলছে।যখন সারাদেশে করোনায় সংক্রমণের হার ত্রিশ শতাংশেরও বেশি তখন ধর্মীয় বিশ্বাসের মনস্তাত্ত্বিক দিক চিন্তা করে সাধারণ মানুষের ইদ উদযাপনের লক্ষ্যে চলাচল ও জীবনধারা স্বাভাবিক করার জন্য আগামী সাতদিনের জন্য কঠোর লকডাউন তুলে দেওয়া হয়েছে।ফলে আগামী সাতদিন সারাদেশে লোক চলাচল সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো শহর থেকে গ্রামে ছড়িয়ে পড়বে। কিন্তু এই সকল লোকজন সঠিকভাবে মাস্ক পরিধানের বিষয়ে যেমন উদাসীন তেমনি অনেকের পক্ষে মাস্ক ক্রয় করা সম্ভব না হওয়ায় লক্ষিত জনগোষ্ঠীর একটা বিরাট অংশ মাস্ক ছাড়া চলাচল করবে। ফলে করোনার সংক্রমণ আরও অধিকহারে ছড়িয়ে তাদের নিজের সাথে দেশের অন্যান্য লোকদেরও জীবন সংশয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

তাই দেশের জনগণের সার্বিক কল্যাণের কথা চিন্তা করে যশোরে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণের পারিবারিক উদ্যোগ গ্রহন করেন বিকেএসপির জুডো ও জিমনাস্টিক বিভাগের দুই শিক্ষার্থী সুমাইয়া শিকদার ইলা ও তার ছোট বোন সুরাইয়া শিকদার এশা।

তারই ধারাবাহিকতায় ১৫ জুলাই -২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় যশোর চার খাম্বা মোড়ে শ্রমজীবী, রিক্সা ও ভ্যান চালক, ফুটপাতের দোকানদার এবং শহরে আগত নানাবিধ প্রায় চার শতাধিক মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেছেন বিকেএসপির দুই শিক্ষার্থী।

মাস্ক বিতরণকালে তারা সচেতনার অংশ হিসাবে মাস্কের সঠিক ব্যবহার এবং পুরাতন মাস্ক যেখানে সেখানে না ফেলা এবং সর্বোচ্চ সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাচল আহ্বান জানান।

উল্লেখ এই দুই শিক্ষার্থী ইতিপূর্বে হতদরিদ্র ও অভাবী মানুষের মধ্যে ও বেয়ারিশ পশুপাখির জন্য গত এক সপ্তাহ যাবত খাদ্য সহায়তা প্রদান করে ছিলেন।

দুই শিক্ষার্থীর কাছে তাদের উদ্যোগের বিষয় জানতে চাইলে বলেন,মানবিক দিক বিবেচনা করে, করোনা কালীন সময়ে মানুষের কষ্টের কথা বিবেচনা করে পারিবারিকভাবে এ উদ্যোগে নিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে আরও কিছু জনকল্যাণ মূলক নিজেদের সম্পৃক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আরো পড়ুন