যশোরে জোন ভিত্তিক এলাকায় প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের সিদ্ধান্ত

নিলয় ধর, যশোর প্রতিনিধি :

যশোর অভয়নগর উপজেলায় করোনাভাইরাস সংক্রম বৃদ্ধি পাওয়ায় জোন ভিত্তিক এলাকাগুলোতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার(১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভা থেকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ ছাড়া জোন ভিত্তিক এলাকায় করোনা প্রতিরোধ বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হবে, অপ্রয়োজনে চলাচল বন্ধ করা হবে, করোনা নমুনা সংগ্রহের ২ দিনের মধ্যে রিপোর্ট সরবরাহ করা, লকডাউনে থাকা পরিবারের জন্য খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করা, সচেতনতামূলক প্রচার মাইকিং করা, সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গৃহিত সিদ্ধান্ত শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল থেকে কার্যকর করা হবে বলে জানানো হয়েছে। অভয়নগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিল।যশোর জেলা প্রশাসক মো. শফিউল আরিফ।এই সময়ে উপস্থিত ছিল, জেলা সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন, সার্কেল এএসপি জামাল আল নাসের, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুসেইন খাঁন,অভয়নগর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব এনামুল হক বাবুল,সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর চেয়ারম্যান সরদার অলিয়ার রহমান, সেনাবাহিনীর দায়িত্বরত কর্মকর্তা মেজর রাশেদ, যশোর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টোকন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. আলিমুর রাজিব, নওয়াপাড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ রবিউল হাসান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান তারু,মিনারা পারভীন,যশোর জেলা ট্রাক ট্যাংকলরী ও কার্ভাডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রবিন অধিকারী ব্যাচা,নওয়াপাড়া সার ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক শাহ্ আব্দুল মুকিত জিলানী, পৌর কাউন্সিলর জিয়াউদ্দিন পলাশ,নওয়াপাড়ার প্রেসক্লাবের( যুগ্ম সম্পাদক) ওদৈনিক নওয়াপাড়ার মফস্বল সম্পাদক মাসুদ তাজ, (ইউপি) চেয়ারম্যান নাদির মোল্যা,মোহাম্মদ আলী, এছাড়াও বাজার কমিটির সভাপতি গাজী নজরুল ইসলাম প্রমুখ। জানা গিয়েছে , বুধবার ১৭ জুন পর্যন্ত যশোর জেলায় করোনায় আক্রান্ত মোট রোগী ছিল ২৮২ জন, এবংআজ (১৮ জুন) য়শোরে নতুন করে ৫ জন রিপোর্ট(খুমেক) মোট ২৮৭জন । যার মধ্যে অভয়নগর উপজেলায় ৮২ জন। যশোর জেলার মধ্যে অভয়নগর উপজেলা এখন করোনাভাইরাস সংক্রমনের সব থেকে ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

আরো পড়ুন