যশোরে গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু কমেনি ও সনাক্ত ৩৮৮

স্বীকৃতি বিশ্বাস
যশোর :
অদৃশ্য করোনা ভাইরাসের সুপার পাওয়ারের অতিসংক্রমণশীল শক্তির কাছে সমগ্র দেশের ন্যায় যশোর জেলার জনগণ আজ বড় অসহায়! একেতো ভারতের সাথে যশোরের সীমানা তার উপর স্থল বন্দর দিয়ে মালামাল আনা নেওয়া, চিকিৎসার জন্য লোক যাতায়াত ও অবৈধ পথে দু-দেশের জনগণের বিচরণ করোনার ভারতীয় অতিসংক্রমণশীল ডেল্টা ছড়ানোর প্রভাবক হিসাবে কাজ করছে।আর তাই কঠোর লকডাউন দিয়েও যশোরে করোনার সামাজিক সংক্রমণ রোধ করা যাচ্ছে না।

৯ জুলাই -২০২১ রোজ শুক্রবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তা জানান, গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে ১৪ জন মৃত্যু বরণ করেছেন। তাদের মধ্যে ৯ জন ছিলেন করোনা পজেটিভ ও বাকি ৫ জন ছিলেন করোনার উপসর্গে আক্রান্ত।

এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় যশোরে ১১৩৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৮৮ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। তথ্য বিশ্লষণে দেখা যায় সনাক্তের হার ৩৪.১৫ শতাংশ। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২৪২ জন।এ পর্যন্ত করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ৯১০ জন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ হাজার ৯৪ জন।করোনা পজেটিভ রোগী মারা গেছেন ২০২ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় যে ৩৮৮ জন করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়েছে তার মধ্যে যশোর সদর উপজেলায় ২৩৫ জন,অভয়নগরে ৪৮ জন, ঝিকরগাছায় ৩৬ জন, কেশবপুরে ২০ জন,শার্শায় ১৮ জন, চৌগাছায় ১৫ জন,মনিরামপুরে ১০ জন ও বাঘারপাড়ায় ৬ জন।

যশোর জেলার করোনা সংক্রমণের গতিপ্রকৃতি দেখে স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে যশোর সদরের ন্যায় বিভিন্ন উপজেলাগুলোতে করোনার সামাজিক সংক্রমণ শুরু হয়েছে।আর তাই সামাজিক সংক্রমণ রোধ করতে গণহারে করোনা টেষ্ট করে আক্রান্ত ও সুস্থ ব্যক্তিদের পৃথক করতে হবে।পৃথককৃত রোগীদের করোনায় সংক্রমণের অবস্থা বিবেচনা করে আইসিইউতে রেডজোনে,ইয়োলোজোনে ও আইসোলেশনে রাখার ব্যবস্থা করা। তাহলে হয়তো যশোরে ২ সপ্তাহের মধ্যে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে, নচেৎ নয়।

আরো পড়ুন