যশোরে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত ২০৩ জন ও মৃত্যু ৪ জন

স্বীকৃতি বিশ্বাসঃ

বৈশ্বিক মহামারী করোনার গতিপ্রকৃতি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারায় প্রবাহিত হচ্ছে।প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার যেভাবে সাইক্লিক ওয়ার্ডারে বাড়ছে তাতে ধারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশই আর কয়েকদিনেই বিশ্বের মধ্য করোনার সবচেয়ে বড় হটস্পটে পরিণত হতে চলেছে।সীমান্তবর্তী ১৩ টি জেলাসহ পার্শ্ববর্তী আরও ২২ টি জেলাতেও করোনার সংক্রমণও মৃত্যুর হার সুপার পাওয়ার নিয়ে আর্বিভূত হয়েছে। আর এ সকল দিক বিবেচনা করে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত সমগ্র বাংলাদেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে এবং তাছাড়াও বিভিন্ন বিভাগ ও বিভাগের জেলা উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে ক্ষুদ্র পরিসরে পকেট লকডাউন কার্যকরের জন্য স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে । এতো কিছুর পরেও ব্যক্তি,পরিবার,সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সাধারণ জনগণের মধ্যে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য মাস্ক ব্যবহার,হাত ধোঁয়া, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা,জনসমাগম এড়িয়ে চলাসহ সামাজিক সচেতনতার বিষয়সমূহ অবহেলা করার চরম বর্হিপ্রকাশ পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে প্রতিদিন করোনার সার্বিক পরিস্থিতি অস্বাভাবিকভাবে খারাপের দিকে যাচ্ছে। যার ফলাফল খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলার করোনার রির্পোটে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।

১৭ জুন-২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার যশোর জেলার সিভিল সার্জন সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘন্টায় ৪৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২০৩ জন করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। পরীক্ষায় সংক্রমনের হার ৪১.৫৯ শতাংশ। এছাড়া মৃত্যু বরণ করেছেন ৪ জন। এরমধ্যে ২ জন মৃত্যু বরণ করেন যশোর জেনারেল হাসপাতালেের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে এবংঅপর ২ জন অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা মৃত্যবরণ করেন।

অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮০ শয্যার করোনা ইউনিটটি ইতিপূর্বেই পূর্ণ হয়ে গিয়েছে এবং ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত আরও ১১ জন ভর্তি রয়েছেন।ঠিক একই অবস্থা আইসোলেশন ওয়র্ডেও।

করোনার উর্দ্ধগতি রোধে একদিকে যশোর জেলা প্রশাসন লকডাউন বাস্তবায়নের সাথে সাথে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও সীমান্তবর্তী উপজেলার গ্রাম পর্যায়েও কার্যকর ভূমিকার জন্য সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিজিবি টহলও জোরদার করেছেন।
আর অন্যদিকে যশোর জেলা সিভিল সার্জন বলেন, করোনা রোগীর চাপ সামাল দিতে যশোর জেনারেল হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন ওয়ার্ড খোলার পাশাপাশি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসা কার্যক্রম বাড়ানোর হচ্ছে।

আরো পড়ুন