যশোরে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ০৭ সদস্যসহ ০৩ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার-

স্বীকৃতি বিশ্বাসঃ

 

যশোর জেলা ও এর পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলায় দীর্ঘদিন যাবত মোটরসাইকেল চোর চক্রের বিভিন্ন গ্রুপ সক্রিয়।তারা চোখের নিমেষে যেকোন মোটরসাইকেলের চাবি খুলে নিয়ে পালিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে তাদের সংগঠিত আরও একটি চক্র যারা মোটর ম্যাকানিকন্সের কাজ করে তারা অতি অল্প সময়ের মধ্য মোটরসাইকেলের পার্টস খুলতে সাহায্য করে।পরবর্তীতে এক মোটর পার্টস বিভিন্ন মোটর পার্টসের দোকান ও গ্যারেজে স্বল্প দামে বিক্রি করে।এই চক্রের সাথে অনেক অসাধু ব্যবসায়ীও জড়িত থাকে।ফলে এই সব মোটরসাইকেল চোরদের আটক করা কঠিন হয়।

কিন্তু বেশ কয়েক মাস যাবৎ যশোর জেলাকে মাদক,সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজী, চুরিডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কাজের জন্য জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহন করায় বিভিন্ন সময় সাড়াশি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ এপ্রিল -২০২১ দিবাগত রাত ২ঃ৩০ ঘটিকায় পুলিশের একটি চৌকস টীম কোতোয়ালি থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোতোয়ালি জজ কোর্ট জামে মসজিদের সামনে থেকে আন্তঃজেলা চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য ১. মোহাম্মদ আলী, ২. মোঃ রফিকুল ইসলাম, ৩. মোঃ আলিমুল মুকুলদের একটি বাজাজ প্লাটিনাম মোটরসাইকেল ও মোটরসাইকেল চুরির জন্য ব্যবহৃত ০৭ টি মাষ্টার চাবীসহ গ্রেফতার করেন।

 

গ্রেফতারকৃত আসামীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলা থেকে ৪. মোশারফ হোসেন বাবুকে গ্রেফতার করেন এবং তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলা থেকে তাদের সহযোগী ৫. মোঃ সবুজ গাজী, ৬. মোঃ আব্দুল হামিদ মোড়ল ও ৭. মহসিন শেখদের দখলে থাকা আরও ০২ টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ০৮ মোবাইল সেট  উদ্ধার করেন।

 

উল্লেখ্য গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে একাধিক চুরি ও ছিনতাই মামলা রয়েছে এবং এই ঘটনার আলোকে যশোর কোতোয়ালি থানায় আরও একটা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরো পড়ুন