মনিরামপুরে অসুস্থ্য ছেলেকে বাঁচাতে কৃষক বাবার সাহায্যের আকুতি

মনিরামপুর (যশোর)প্রতিনিধি।। উপজেলার ১২নং শ্যামকুড় ইউনিয়নের হতদরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া মোঃ সজীব হোসেন (৭) আজ মৃত্যু শয্যাই। তিনি মোঃ ফারুক হোসেনের ছোটো সন্তান তার আরও দু’টি ছেলে সন্তান রয়েছে। ফারুক হোসেনের বসত ভিটা ছাড়া আর কিছুই নেই, তবুও তিনি কখনো কারো কাছে মাথানত করেনি হাড় খাটুনি পরিশ্রম করে টিকিয়ে রেখেছেন তার সোনার সংসার টি। তিনি কখনো মাছ ধরে সংসার চালাই আবার ভিবিন্ন গাছের কাঁচা ফল কিনে বিক্রি করেন। তিনি কিছুদিন আগে একটি আমড়া গাছ থেকে পড়ে তার মাঝা ভেঙে যায় এখনো চাপের কাজ করতে পারেন না তিনি।

তার পর-পরই হে আল্লাহ্ এ তোমার কেমন বিচার তুমি তার ছোটো ছেলেকে দিলে এ কতো বড়ো রোগ (ব্লাড ক্যান্সার) হতদরিদ্র পরিবার কি করে বাঁচাবে তার আদরের ছোট্ট মাসুম বাচ্চাটিকে। কিছু দিন ধরে সজীব হোসেনের গায়ে জ্বর গ্রামের ডাক্তারের কাছে টিটমেন্ট নিয়েও সুস্থ্য না হলে ডাক্তারের মনে সন্দেহ বিরাজ করে পরবর্তী তারা তাকে যশোর নিয়ে পরিক্ষা-নিরেক্ষা করতে বলে তাদের কথা শুনে ফারুক তার ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে যশোর যায় এবং (ল্যাব-স্কান) হাসপাতালে তার ব্লাড পরিক্ষা ও গলা এক্সা করে পরের দিন ডাক্তার রিপোর্ট দেয় তার (ব্লাড ক্যান্সার) হয়েছে। ডাক্তারের এমন কথা শুনে পরিবার ভীষণ ভাবে ভেঙে পড়েছে।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নিয়ে যেতে হবে কিন্তু এই মুহুর্তে ফারুকের কাছে ভিটা বাড়ি ছাড়া আর কিছুই নেই। তাই ফারুক হোসেন সমাজের বিত্তবান মানুষের কাছে তার শিশুটি বাঁচাতে সাহায্যের আকুতি জানিয়েছেন। ফারুক অশ্রু চোখে বলেন, আল্লাহ্ কে দোষ দিবো না তিনি যা করেন বান্দার ভালোর জন্যই করেন এমন একটি ভয়ংকর রোগ তিনি আমার পরিবারে দিলেন (ব্লাড ক্যান্সার) হলে কেউ বাঁচেনা আমি জানি তবুও ছেলের জন্য একটু চেষ্টা করতে চায় তাহলে মনকে বোঝাতে পারবো চেষ্টা তো করছি। আপনারা আমার ছোট্ট বাচ্চাটির মুখের দিকে তাকিয়ে তার পাশে এসে দাঁড়ালে আমি সারাজীবন আপনাদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ থাকবো।
আমরা জানি মানুষ মানুষের জন্য, দশের লাটি একের বোঝা। আমরা কি পারিনা অসহায় ফারুকের পাঁশে দাঁড়াতে? এটা কোনো বিকাশ নাম্বার নয় কেউ সাহায্য করতে চাইলে অনুগ্রহ করে যোগাযোগ করবেন মোঃ ইকরামুল হোসেন মোবাইলঃ (01944-558819)
(বিকাশ নাম্বার পার্সোনাল= (01911-202153)
(পোস্টটি কেউ এড়িয়ে যাবেন না, সকলে শেয়ার করবেন হতে পারে আপনার শেয়ার করা পোস্টটি পড়তে পারে কোনো বিত্তবান মানুষের কাছে)

আরো পড়ুন