মনিরামপুরবাসীর গর্ব ‘কাব্য ভারতী উপাধি’ পাওয়া কবি সাজ্জাদ হোসেন

স্টার্ফ রির্পোটার, মনিরামপুর (যশোর) থেকেঃ লেখালেখি যেন তার পেশা নয়, লেখালেখি যেন তার রক্তের সাথে মিশে থাকা এক নেশা কথাটা অবাকময় হলেও এটাই চির-সত্য বলছি যশোরের মনিরামপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মরহুম গোলাম বিশ্বাস ও ফুলজান বিবির ঘরকে আলোকিত করে জন্ম গ্রহণ করা ‘কাব্য ভারতী’ উপাধি প্রাপ্ত কবি সাজ্জাদ হোসেনের কথা চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সর্ব কনিষ্ঠ। শ্যামকুড় বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও যশোর সরকারি বাণিজ্য মহাবিদ্যালয় খুলনা টেকনিক্যাল এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন তিনি। পঞ্চম শ্রেণি থেকে লেখা-লেখির শুরু তার সেটা এখনো চলমান শত-শত ভক্ত অপেক্ষায় থাকেন তার একটি কবিতা ও গল্পের বইয়ের মুক্তির। ইতিমধ্যে তার মুক্তি পাওয়া প্রকাশিত বই পাথরের কান্না, নষ্ট গোলাপ, স্মৃতির বালুচর, হীরক তরবারি, দ্যুলোকের ডাক, গোধূলির আলো, শততারা, রোহিঙ্গাদের লাশের মিছিল, কাব্যনেশা, নন্দিত কাব্য, শতকোষ, দিবা রাত্রির মুসাফির, কবিতার অন্তর্বয়ন, কবিতার ফেরিওয়ালা, আমার আকাশ এছাড়াও অনেক গল্পের বই, উপন্যাস, নাটক, কবিতার বই প্রকাশনার অপেক্ষায়।কবি সাজ্জাদ হোসেনকে বাংলাদেশ এবং ভারতের বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠন থেকে সেরা কবি ঘোষণা করা হয়েছে পেয়েছে সন্মাননা পুরুষ্কার। ২০১৭ সালে ‘বিশ্ব বাংলা সাহিত্য একাডেমী’ কলকাতা থেকে অবনীশ চন্দ্র সম্মিলন কেন্দ্রে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে ‘কাব্য ভারতী’ উপাধি প্রদান করা হয় এবং ২০১৮ সালে ‘যুথিকা সাহিত্য পত্রিকা’ কলকাতা সূর্যসেন মঞ্চে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে ‘কাব্য মধুকর’ উপাধি প্রদান করা হয়। এছাড়া ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক কবি পরিষদ চট্টগ্রাম মুসলিম হল একাডেমীতে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে ‘কাব্য রথী’ উপাধি প্রদান করা হয়।এছাড়া ‘সোনার বাংলা সাহিত্য একাডেমী’ বুয়েট ক্যাম্পাস, বাংলাদেশ কবি সংসদ, সাহিত্যেও জাগরণী, প্রবাসী কল্যাণ সাহিত্য, সৃজনী, নতুন দিগন্ত, কুমিল্লা সাহিত্য সংকলন, নজরুল সাহিত্য একাডেমী, সোনাগাজী সাহিত্য ফোরাম, নকলা একাডেমী সাহিত্য পরিষদ, বাংলাদেশ কবি সাহিত্য একাডেমী, জয় ধ্বনী সাহিত্য সংসদ, ঝাল সৃজন, শত কথা, নব তরঙ্গ সাহিত্য একাডেমী, বাংলাদেশ কবি সভা, মৌচাক সাহিত্য পরিষদ, আপন জন সাহিত্য পরিষদ, ঝিঙে ফুল সাহিত্য পত্রিকা, সময়ের সুর সাহিত্য একাডেমী, কাব্য সুধা বিশ্ব সাহিত্য পরিবার, বাংলাদেশ সাহিত্য পরিবার, বৃষ্টিভেজা বিশ্ব কাব্য সংগঠন, ছায়া বীথি, ঘাস ফুল সাহিত্য সংগঠন, শখের কবিতা ও সাহিত্য আড্ডা, নতুন পাতা, দুই বাংলার মিতালী পরিবার, পার্বত্য কাব্য, কপোতাক্ষ সাহিত্য অঙ্গন, চন্দ্র মল্লিকা, চন্দ্র মল্লিকা, প্রেরণা, নন্দন সাহিত্য গ্রুপ, জাতীয় কবি পরিষদ সহ দেশ বিদেশের সকল সাহিত্য সংগঠন থেকে সেরা কবির সম্মাননা পেয়েছেন তিনি সেটা দেশ বিদেশের বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ও টিভি চ্যানেলে সরাসরি প্রচার করা হয়।কবি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আমার শ্রদ্ধীয় শিক্ষক চিত্তরঞ্জন হালদার মহাশয়ের অনুপ্রেরণা পেয়েছি। তাছাড়া দেশ বিদেশে আমার হাজার হাজার ভক্ত ও পাঠক আছে-উনারা আমার সত্যিকার প্রেরণা তারা আমার একটি বই প্রকাশের অপেক্ষায় থাকেন এবং আমি তাদের সুন্দর সুন্দর কবিতা, উপন্যাস ও গল্পের বই উপহার দেওয়ার চেষ্টা করি। আপনারা আমার আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেনো এভাবে আপনাদের পাশে থাকতে পারি মহান আল্লাহ্ পাক রব্বুল আলামিনের কাছে হাঁজার শুকরিয়া যে আমাকে সুস্থ্য রেখেছেন ভালো অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। আমি মনিরামপুরের সন্তান আমি আমার জন্মভূমিকে ভালোবাসি ভালোবাসি এদেশের মানুষকে ইচ্ছা হয় তাদের সাথে চলতে ঘুরতে ফিরতে কিন্তু সময়ের বড়ই অভাব তবুও সময় পেলেই ফিরে আসি আমার জন্মভূমিতে প্রিয় মানুষদের কাছে তাদের ভালোবাসাই আমি মুগ্ধ হয়ে যায়।এ সম্পর্কে শ্যামকুড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, মনিরামপুরের গর্ব কবি সাজ্জাদ হোসেন তার মেধা ও পরিশ্রম তাকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছেন। শ্যামকুড় ইউনিয়নে জন্ম নেওয়ায় কবি সাজ্জাদ হোসেন আমাদের গর্ব তার লেখা কবিতা, গল্পের বই, উপন্যাস গুলো সত্যি অসাধারণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু কিছু সময় তার কবিতা পাওয়া যায় পড়তে খুব ভালো লাগে প্রতিটা শব্দ, বাক্য দিয়ে গঠিত কবিতা গুলো পড়লে হৃদয় ছুয়ে যায়। কিছু দিন আগে সামাজিক মাধ্যমে তার দুটি কবিতা চোঁখে পড়ে (পদ্মা সেতু ও খবর অনন্যা) কথা গুলোর মধ্যে কিছু বাস্তব চিত্র ছিলো কবি সাজ্জাদ হোসেনকে প্রতি রইল আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। পাশাপাশি আমি যুবসমাজের উদ্দেশ্যে বলতে চায় পড়াশোনার মধ্যে দিয়ে লেখা-লেখি করতে হবে তাহলে সহজে পরিচিত লাভ করা সম্ভব হবে ভালো অবস্থানেও যাওয়া সম্ভব হবে বলে জানান।কবি সাজ্জাদ হোসেন, আর্কিটেক্ট হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বেপজা ঢাকাতে কর্মরত আছেন এবং বর্তমানে মংলা ইপিজেডের সরকারি আবাসনে স্ত্রী ও ২ মেয়ে সিনহা-মাহি এবং একমাত্র ছেলে শিশুকে নিয়ে বসবাস করছেন।

আরো পড়ুন