মণিরামপুরে রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে অর্ধকোটি টাকার কাঠ

মণিরামপুর (যশোর)প্রতিনিধি।।
যশোর জেলা পরিষদের কয়েক লাখ টাকার মূলব্যবান কাঠ রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হতে চলেছে। কাঠগুলো মণিরামপুর শহীদ মসিয়ূর রহমান জেলা পরিষদ হল রুমের সামনে খোলা আকাশের নীচে স্তুপ করে রাখা হয়েছে। সেখানেই রোদ-বৃষ্টিতে অধিকাংশ কাঠ নষ্ট হয়ে গেছে। দেখলে মনে হচ্ছে সরকারি মূল্যবান এ কাঠগুলো দেখার যেন কেউ নেই।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থ বছরে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। রাস্তাটি প্রশস্ত করায় মহাসড়কের দুই ধারে থাকা প্রায় অর্ধশত বছরের কয়েকশ’ মেহগনি, রোড শিশুসহ বিভিন্ন প্রজাতির মূল্যবান গাছ কাটা হয়। যার বহু গাছ সড়কের পর থেকেই লুটপাট হয়।
আর কিছু গাছের কাঠ (লগ) নিয়ে যশোর জেলা পরিষদ, বন বিভাগ ও সওজ (সড়ক ও জনপদ বিভাগ) এই তিন দপ্তর নিজেদের দাবি করে টানা হেচড়ার কারনে সড়কেই পড়ে থাকে। এ কারণে কিছু গাছের জ্বালানি ও লগ লুটপাট হয়। পরে মিমাংসা হলে জেলা পরিষদ গাছের লগের সিংহভাগ যশোর জেলা পরিষদে নিয়ে যায় এবং কিছু অংশ মণিরামপুরে রাখেন। মণিরামপুরে রাখা কাঠগুলো খোলা আকাশের নিচে থেকে একেবারেই বিনষ্ঠর পথে। যা থেকে সরকারি কোষাগারে জমা হওয়া লাখ লাখ টাকা বঞ্চিত হচ্ছেন।

স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বলেন, এ কাঠগুলো খুব মূল্যবান। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় অর্ধকোটি টাকা হবে। কিন্তু রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে কাঠের গুণগত মান একেবারেই নষ্ট হতে চলেছে। যে কারণে এই কাঠের প্রকৃত দাম হতে এখন অনেক কমে গেছে।
জেলা পরিষদের সদস্য গৌতম চক্রবর্তী বলেন, গাছের কাঠ (লগ) মূল্যবান হওয়ায় সেগুলো শহীদ মসিয়ূর রহমান জেলা পরিষদের হলরুমের সামনে রাখা হয়েছে। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী আরিফুজ্জামান বলেন, কাঠগুলো নিলামের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া চুড়ান্ত পর্যায় রয়েছে।

আরো পড়ুন