ভোলা চরফ্যাশনে ১১বাড়ি লকডাউন

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

ভোলা চরফ্যাসন পৌর সভার একটি বাড়ি ও দুলারহাট থানার নীলকমল ইউনিয়নের ১০ বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ও শুক্রবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন চরফ্যাসন পৌরসভার একটি বাড়ি ও নীলকমল ইউনিয়নের ১০টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করেন।

ঢাকার নারায়ণগঞ্জ ও কালীগঞ্জ থেকে এসে পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপন করায় এসব বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে বলে উপজেলা প্রশাসন সুত্রে জানাগেছে।

চরফ্যাসন পৌর ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সেলর আকবর হাওলাদার জানান, নারায়ণগঞ্জ থেকে এসে চরফ্যাসন পৌর সভার ৫নং ওয়ার্ডে শশুর বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন ওই ব্যাক্তি।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়াতে পারে এমন সন্দেহে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে শুক্রবার সকালে ওই বাড়িটি লকডাউন করে লাল পতাকা উড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
অপরদিকে দুলারহাট নীলকমল ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হাওলাদার জানান, দুলারহাট থানার নীলকমল ইউনিয়নের চরযুমানা গ্রামের এসব পরিবারের সদস্যরা ঢাকার নারায়ণগঞ্জ ও কালীগঞ্জ শ্রমিকের কাজ করতেন।

ঢাকার নারায়ণগঞ্জ ও কালীগঞ্জ থেকে এসে নীলকমল ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ১০টি বাড়ির পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপনে আছেন। এমন খবর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হলে ওই গ্রামের ১০টি বাড়ির ৭১টি পরিবারকে লকডাউন করার জন্য নির্দেশ দেন। শুক্রবার সকালে ও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এসব বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

চরফ্যাসন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রুহুল আমিন জানান, চরফ্যাসনের বিভিন্ন এলাকায় এসে তারা আত্মগোপন করেন। স্থানীয় চেয়ারম্যান এবং কাউন্সেলরদের মাধ্যমে খবর পেয়ে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছাড়াতে পারে এমন সন্দেহে পৌরসভার একটি বাড়িসহ চরযমুনা গ্রামের এসব বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। তাদেরকে বাড়ি থেকে বের না হতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শোভন বসাক জানান, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যান্ত এসব পরিবারের সদস্যদের হোমকোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে। করোনা উপসর্গ দেখা দিলে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরিক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

আরো পড়ুন