ভারতে কম্পিউটার শিখতে এসে, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হলেন নীশিথ পরামানিক।

ইন্ডিয়া প্রতিনিধিঃ জয় কুমার রায়:-

বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের রিকত্ব নিয়ে বিতর্ক! তদন্তের দাবি করে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা গতো রায় ও অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি রিপুন বোরা একই সুরে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করল তৃণমূল কংগ্রেস । দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন,’নিশীথ প্রামাণিক ভারতীয় না বাংলাদেশি তা খতিয়ে দেখা দরকার।’

কোচবিহারের সাংসদের বাড়ি বাংলাদেশের গাইবান্ধার পলাশবাড়ি পুলিস থানায়। পশ্চিমবঙ্গে কম্পিউটার শিখতে এসেছিলেন। কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শেষে তৃণমূলে যোগ দেন। পরে বিজেপির টিকিটে হন কোচবিহারের সাংসদ।’ কারসাজি করে কোচবিহারের ঠিকানা নির্বাচনী হলফনামায় নিশীথ দেখিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ অসমের কংগ্রেস সভাপতির। তাঁর দাবি, নিশীথ কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর বাংলাদেশে তাঁর জন্মভিটেয় গ্রামবাসীরা আনন্দ উদযাপন করেছিলেন। বাংলাদেশের সেই বাড়িতে এখনও তাঁর বড় ভাই থাকেন।

 

একজন বিদেশি নাগরিক দেশের মন্ত্রী হলেন। দেশের পক্ষে বিষয়টি গুরুতর। কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে রিপুন চিঠিতে লিখেছেন,’ তাঁর জন্মস্থান ও নাগরিকত্ব নিয়ে সঠিক তথ্য জানতে তদন্ত শুরু করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি করেন রিপুন।

 

নিশীথের ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, সমস্ত অভিযোগই ভিত্তিহীন। কোচবিহারের সাংসদের জন্ম ও শিক্ষা এদেশেই। বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আত্মীয়রা আনন্দ করতেই পারেন। এতে তাঁর কিছু করার নেই। রিপুনের টুইট রিটুইট করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু তাঁর কথায়,’রাজ্যসভার সাংসদ সঠিক প্রশ্ন করেছেন।

 

তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘নিশীথের বিরুদ্ধে অন্তত ১৩টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এবার গুরুতর অভিযোগ উঠল।
যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। ফলে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত হোক।’ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম দাবি করেছেন নিশীথ প্রামাণিক বাংলাদেশের নাগরিক। তাঁকে নিয়োগ করার আগে কি পরীক্ষা করা হয়নি? একাধিক অপরাধের কথা তো ভুলেই যান।এটা দেশের জন্য লজ্জা জনক পরিস্থিতি।

আরো পড়ুন