বাংলাদেশের খুলনাতে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা প্রধাণ মন্ত্রীর হস্তোকখেপ দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর!

ইন্ডিয়া ওড়িশা প্রতিনিধিঃজয় কুমার রায়

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ‘আক্রমণ’-এর ঘটনায় হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন শান্তনু ঠাকুর।
আরও যে সব ভারতীয় ও মতুয়া সমপ্রদায়ের কর্মকর্তা আছেন খুবই শোকাহত। এই মর্মে আরও এক বার সি এ এ, ও এন আর সি নিয়ে সরব
হবেন জাহাজ মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর।

 

বাংলাদেশে বর্তমান ১৬ জন হিন্দু সম্প্রদায়ের সংখ্যালঘু এম. পি, মন্ত্রী রয়েছেন। সাম্প্রতি খুলনায় কয়েকটি মন্দির ভাঙ্গা সহ হিন্দু সংখ্যালঘুদের ঘর বাড়ি, দোকান লুট-পাঠ ও হিন্দুদের উপর হামলা করে মৌলবাদী দুস্কৃতিকারীরা। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংখ্যালঘু রাষ্ট্রীয় সাংসদীয় নেতৃবৃন্দ চাইলে তীব্র প্রতিবাদ করতে পারতেন। কিন্তু এরা করলেন না। এরা প্রতিবাদ কেন করলেন না? এটা কিন্তু আজ বাংলাদেশের ২ কোটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায় জনগোষ্ঠীর প্রশ্ন।

 

আর এই প্রশ্নের উত্তর কি ঐ ১৬ জন এম. পি মন্ত্রীরা দিতে পারবেন? উত্তর দিতে যদি নাই পারেন তবে এদের বর্তমান রাষ্ট্রীয় পরিচালনা নীতিতে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় ভূমিকা কি? এদের ছত্রছায়ায় সংখ্যালঘুরা থাকলে তাদের ভবিষ্যত কি হবে? আজ এদেশের সংখ্যালঘু নেতৃত্বাধীন নেতাদের এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে হিন্দু জাতি আজ দিশেহারা।

 

 

আর এই দিশেহারা হিন্দু জাতির করুন কান্না শুনে সহ্য করতে না পেরে ওপার বাংলা অর্থাৎপশ্চিমবঙ্গ থেকে মতুয়া মতাদর্শগত বৃহত্তর জাতিগোষ্ঠীর বর্তমান দশকের শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতৃত্বাধীন নেতা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহ সকলের প্রিয় আস্থাভাজন ব্যক্তিত্ব ভারতের কেন্দ্রীয় জলজ ও জাহাজ প্রতিমন্ত্রী মতুয়াচার্য শ্রীশান্তনু ঠাকুর। তিনি বাংলাদেশের হিন্দু জনগোষ্ঠীর মন্দির ও তাদের নির্যাতনের বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীনরেন্দ্র মোদীকে আনুষ্ঠানিক ভাবে জানিয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী শ্রীনরেন্দ্র মোদীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আরো পড়ুন