পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সুবর্ণচরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ নোয়াখালী সুবর্ণচরে পূর্ব শত্রতার জের ধরে যুবককে হত্যার উদ্দ্যেশে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত যুবক বর্তমানে সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্ব্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধিন আছেন, এ ঘটনায় একটি মামলার প্রস্ততি নিচ্ছেন ভুক্তভোগি পরিবার।
ঘটনাটি ঘটে ২৮ জুন (সোমবার) সন্ধ্যা ৭টার সময় ৭নং পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের চজর মজিদ গ্রামের জয়নাল রাজের বাড়ীর সামনে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী নুর করিম ও এলাকাবাসী বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় কামাল উদ্দিন মিলন সন্ধ্যার পর মিলন বাজারে যাওয়ার সময় জয়নাল রাজের বাড়ীর পাশে মোজাক্কের, ও রহিম উল্যাহ ফারুক, দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা করে কুপিয়ে আহত করে, পরে আমরা তাকে সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি।

 

আহত কামাল উদ্দিন মিলন অভিযোগ করে বলেন, সন্ধ্যার পর বাড়ী থেকে বাজারে যাওয়ার পথে, ৭নং পূর্বচরবাটা ইউনিয়নের চরমজিদ গ্রামের আবুল কালামের পুত্র মহি উদ্দিন (৩৬) নেতৃত্বে তার ভাই মোজাক্কেরর(৪০), মধ্য চরবাটা গ্রামের ছায়েদল হকের পুত্র ফারুক (৩০), আলী আখন্দের পুত্র জাফর তার ছেলে রহিম উল্যাহ এবং সিদ্দিক আহম্মদ পিতা অজ্ঞাতসহ আরো ৪/৫ জন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র সজ্জিত হয়ে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী মারধর করে এবং কুপিয়ে আহত করে। তার শোর চিৎকারে এলাকাবাসী এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

আহত কামাল উদ্দিন মিলনের ভাই দিদার বলেন, গত ৫ মার্চ রাতে স্থানীয় জাফরের ছেলে রফিক একই এলাকার এক নারীর সাথে পরকিয়ায় সম্পর্কে জড়িয়ে ঐ নারীর বাড়ীতে গেলে এলাকাবাসী তাকে গণধোলাই দেয়। পরে রফিক নোয়াখালী জেনারেল হসপিটাল চিকিৎসা নিয়ে বাড়ীতে আসে। পরিবর্তিতে রফিক ঐ ঘটনায় পরিকল্পিত বলে কামাল উদ্দিন মিলন, দিদার, নুর করিম সহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে জেলা জর্জ কোর্টে মিথ্যা মামলা করেন এ ঘটনার সূত্রে ধরে মারের বদলে মার দিবে বলে পূর্বে থেকেই হুমকি দিয়ে আসছে। মিলনের ওপর হামলা পূর্বপরিকল্পিত। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

অভিযুক্ত মহি উদ্দিন কাছে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বা আমার ভাই হমলার ঘটনার সাথে জড়িত নয়। মিলন আর আমরা আত্বীয়স্বজন, ঘটনার সময় আমি বাড়ীতে ছিলাম কারা হামলা করেছে সেটা আমি জানিনা।

অভিযুক্ত জাফর ঘটনা অস্বিকার বলেন আমি জাহাজ্জার চরে এসেছি কে এই ঘটনা করেছি আমি জানিনা।
চরজব্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউল হক তরিক খন্দকার বলেন, ঘটনাটি শুনেছি,ভুক্তভোগিকে চিকিৎসার করানোর জন্য বলেছি, তবে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি, অভিযোগ পেলে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

 

আরো পড়ুন