পূনরায় আব্দুল কাদের মির্জাকে মেয়র হিসেবে পেতে চায় বসুরহাট পৌরবাসী

মোঃ ইমাম উদ্দিন সুমন,  স্টাফ রিপোর্টার:  আগামি ১৬ জানুয়ারী শনিবার ২০২১ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নোয়াখালী জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচন ২০২১। এরই মধ্যে শিতের আমেজে জমে উঠেছে নির্বাচনী আলোচনা। বিগত দিনের উন্নয়ন আর সাধারণ মানুষের সেবা নিয়ে চলছে জনসাধারণের মাঝে চুল ছেঁড়া বিশ্লেষন। কে হবেন বসুরহাট পৌরসভা মেয়র। এরই মধ্যে বসুরহাট পৌরসভা হিসেবে পূনরায় (বর্তমান) মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার নাম রয়েছে আলোচনায়।

 

 

তিনি মেয়র হবার পর বসুর হাট পৌর সভায় করেছেন ব্যাপক উন্নয়ন। ছাত্র রাজনিতী থেকে উঠে আসা আব্দুল কাদের মির্জার জনপ্রিয়তা এখন আকাশ চূম্বি, বসুরহাট পৌরসভাকে করেছেন মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্ব্য, ক্রিড়াঅঙ্গনে রেখেছেন ব্যপক ভূমিকা। করোনাকালে ছিলেন মানুষের পাশে, রাত জেগে মানুষের ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন খাবার, শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে মানুষের মাঝে তৈরী করেছেন সচেতনতা।

দির্ঘদিনের রাজনিতীতে তিনি সুমান অর্জের পাশাপাশি জননেত্রী শেখ হাসিনার গ্রাম হবে শহর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। আব্দুল কাদের মির্জা বসুরহাট পৌরসভা প্রতিটি ওয়ার্ডে উন্নয়ন করেছেনসমান তালে, নাগরিক সকল চাহিদা সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে দিয়ে থাকেন সমান ভাবে।

রাজনৈতিক ধন্ধ, বিবেদ সব উপেক্ষা করে জয় করে নিয়েছেন সবার মন। উপজেলায় তার নেত্রীত্বে দলীয় কোন্দল হয়নি বিগত বছরে। সরল বুদ্ধি আর শক্ত হাতে সব সামাধান করেছেন নিজ যোগ্যতায়। তাইতো আসন্ন বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র হিসেবে হিসেবে আব্দুল কাদের মির্জাকে পূনরায় মেয়র হিসেবে দেখতে চান বসুরহাট পৌরসভাবাসী।

 

কে এই আব্দুল কাদের মির্জা ? ৭৫ পরবর্তী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের অন্যতম কান্ডারী তিনি। ৭৯-৮০ সনে যখন চারিদিকে জাসদের জয় জয়কার, সারদেশের প্রায় সবগুলো ছাত্র সংসদে জাসদ মনোনীত প্যানেল থেকে ভি.পি, জি.এস নির্বাচিত হচ্ছিলো। ঠিক তখন তিনি সরকারী মুজিব কলেজ ছাত্র সংসদে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে মনোনয়ন নিয়ে সর্বস্তরের শিক্ষির্থীদের ভোটে ভি.পি নির্বাচিত হন।

 

তিনি জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং পরবর্তীতে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৩/৯৪ সালে তিনি শিবির কর্তৃক ছুরিকাঘাতে মারাত্মক আহত হয়ে আল্লাহর অশেষ কৃপায় অল্পতে জন্য বেঁচে যান। ১৯৯৭ সালে তিনি বসুরহাট পৌরসভার চেয়াম্যান নির্বাচিত হন।

 

২০০১ থেকে ২০০৬ বি,এন,পি জামাত জোট আমলে ৩৭ টি মিথ্যা মামলা দিয়ে তার বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করা হয়। তিনি অন্যায় ভাবে কারাবন্দী ছিলেন একাধিকবার। ২০১১ সালে দ্বিতীয় বার এবং ২০১৬ তৃতীয় বারের মতো বসুরহাট পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি জেলা আওয়ামীলীগের দীর্ঘদিন সদস্য পরবর্তীতে সফলতার সহিত সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ২০২০ সালে ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী হিসেবে তিনি দলীয় মনোনয়ন লাভ করেন।

 

 

তিনি সবসময় ত্যাগী, নির্যাতিত, নিপিড়িত নেতা কর্মীদের পাশে ছায়ার মতো আগলে ছিলেন। জীবনে কখনোই তিনি মুজিব আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত হননি। নানান চড়াই-উৎরাই, ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে তিনি এখন পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের অন্যতম আশা আকাঙ্ক্ষা এবং নির্ভরতার প্রতিক।

 

আরো পড়ুন