পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনোত্তর সহিংতার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত –

স্বীকৃতি বিশ্বাস,যশোর :-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পশ্চিম বাংলার সাথে সাথে বাংলাদেশের মানুষেরও উত্তেজনা ও আবেগ কম ছিল না।বিশেষকরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর মোদি যখন হিন্দুদের বিশেষ করে মতুয়া সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের জন্মস্থান গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ও সাতক্ষীরা জেলার কালীমন্দির পরিদর্শন করেন তখন পশ্চিম বঙ্গের ভোটের উত্তেজনা বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে প্রকোটরূপ ধারণা করে।তাদের এই উত্তেজনার বর্হিঃপ্রকাশ ছড়িয়ে পড়ে পশ্চিম বঙ্গে বসবাসরতবাংলাদেশী হিন্দুদের আত্মীয় স্বজনের উপর এবং তারা ঢালাওভাবে বিজেপিকে সমার্থন জানায়।

কিন্তু ০২ মে ভোটের ফলাফল ঘোষণায় দেখা যায় বিজেপির ধর্মীয় মেরুকরণকে ধূলিসাৎ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস পুনরায় পশ্চিম বঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভ করে।
তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করার পর দেখা যায় বাংলাদেশ অধ্যুষিত হিন্দুসহ সাধারণ হিন্দুদের উপর কয়েকদিন যাবত চালাচ্ছে নির্মম নিষ্ঠুর নির্যাতন ও অত্যাচার।তৃণমূল কংগ্রেস সমার্থিত দুষ্কৃতকারীরা হিন্দুদের মন্দির,বাড়িঘর, দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চালাচ্ছে ভাংচুর, লুটপাট,অগ্নিসংযোগ। এছাড়াও তারা হিন্দু কিশোরী ও নারীদের উপর চালাচ্ছে অত্যাচার,নির্যাতন ও গণধর্ষণ। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ভোটের পরে হাজার হাজার হিন্দু নরনারী বাড়ীঘর,জমিজমা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ফেলে রহিঙ্গাদের ন্যায় আসামে রিফিউজি হিসাবে জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।

আর তাই ভোটপরবর্তী এই সহিংসতার প্রতিবাদে আজ ৭ মে-২০২১ রোজ শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকায় জাতীয় প্রেসক্লাব,ঢাকায় বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু পরিষদ ও বাংলাদেশ হিন্দু আইনজীবী পরিষদ, বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটসহ সমমনা বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তরা ভোট পরবর্তী এই নিষ্ঠুর হিন্দু নিধনযজ্ঞের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং সাথে সাথে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত হিন্দুদেরও এই সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের আহ্বান জানান।

আরো পড়ুন