পত্রিকা বিক্রেতা ইউনুস আলীকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন উদ্ভাবক মিজান

আসাদুর রহমান, শার্শা প্রতিনিধি : এবার এক পত্রিকা বিক্রেতা (হকার) ইউনুস আলীর পাশে দাঁড়িয়েছেন দেশসেরা উদ্ভাবক মিজানুর রহমান। ইউনুস আলী সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের ধানঘোরা গ্রামের হতদরিদ্র ওয়াজেদ আলীর ছেলে।

দেশে ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন চলাকালীন সময়ে দোকানপাট, এনজিও অফিস বন্ধ আছে। এমতাবস্থায় পত্রিকা তেমন একটা বিক্রয় হচ্ছে না।

সংসারে অভাব অনটন চলছে জানতে পেরে গণমাধ্যমে পোষ্ট করেন সাংবাদিক হাসানুল কবির। পোষ্টটি চোখে পড়ে মানবতার ফেরিওয়ালা দেশসেরা উদ্ভাবক মিজানুর রহমানের।

তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার (২৬ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া বাজারে চাল, ডাল, তৈল, তরিতরকারিসহ সামগ্রী নিয়ে পত্রিকা হকার ইউনুস আলীর হাতে তুলে দেন।

এসময় ইউনুস আলী বলেন, আমার পরিবারের অভাব-অনটনের কথা শুনামাত্র উদ্ভাবক মিজান ভাই আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। আমি অনেক খুশি হয়েছি। আমি দোয়া করি আল্লাহ মিজান ভাইকে অনেক ভালো রাখুন।

সাংবাদিক হাসানুল কবীর জানান, ইউনুস আলী একজন সৎ ও পরিশ্রমী ছেলে। সে দীর্ঘ এক যুগ ধরে এই পেপার বিক্রি করে সংসার চালিয়ে আসছে। সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি হওয়ায় সারাদিন পেপার নিয়ে ছুটতেই থাকে। কিন্তু বর্তমান চলমান লকডাউনের কারনে পেপার বিক্রি কমে যাওয়ায় পরিবারের চার সদস্যকে নিয়ে অনেক কষ্টের সময় পার করছে। বিষয়টি নিয়ে নিজের ফেইসবুকে ওয়ালে একটা স্ট্যাটাস দিলে উদ্ভাবক মিজানুর রহমানের দৃষ্টি গোচর হয়। সার্ধের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করায় তাকে শত কোটি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি সমাজের বিত্তশালী মানুষদেরকে এমন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে আহবান জানাচ্ছি।

দেশসেরা উদ্ভাবক মিজান বলেন, করোনাকালীন সময়ে কঠোর লকডাউনে দোকানসহ প্রায় সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে।এমন অবস্থায় পত্রিকা কম বিক্রয় হচ্ছে যার ফলে ইউনুসকে তার সংসার চালাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে জানতে পেরে চাল,ডাল, তৈল,তরিতরকারি খাদ্য সামগ্রী নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছি। খুব শিঘ্রয় উপজেলার সব পেপার বিক্রেতাকে পর্যায়ক্রমে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করবো।
তাই সমাজের বিত্তবানদেরকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানাচ্ছি।এজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

আরো পড়ুন