নোয়াখালীর হাতিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৫ দোকান ভস্মীভূত, নিহত ২, আহত ১০

 মোঃ ইমাম উদ্দিন সুমন, নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালী জেলার দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বয়ারচরের চেয়ারম্যানঘাটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ১৫ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং অগ্নিদগ্ধ হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অগ্নিদগ্ধ খালেদ (৭০) নামে আরেকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহত হয় ২০ জন। নিহতরা হচ্ছে, বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার গনিপুর গ্রামের বাসিন্দা মহিবুল ইসলাম নিপু (৩৭), হাতিয়া উপজেলার দরবেশ বাজার এলাকার সুগন্ধর মিয়ার ছেলে রহমত (৩৬)। ফায়ার সার্ভিস ও সর্বশেষ মাইজদী থেকে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে চেয়ারম্যান ঘাটের নিপুর তেল দোকান বন্ধ করে ভিতরে ঘুমিয়ে পড়ে দোকান মালিক মহিবুল ইসলাম নিপু ও তার কর্মচারী রহমত উল্যা। রাত সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ বিদ্যুতের ট্রান্সমিটার বাস্ট হয়ে নিপুর তেলের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে এলাকাবাসী, পরে খবর পেয়ে সুবর্ণচর উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সর্বশেষ মাইজদী থেকে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এসময় নিপুর তেল দোকান থেকে দুইজনের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। তবে কঙ্কাল দুটি পুড়ে ছাঁই হয়ে যাওয়ায় চেনা যাচ্ছিল না। কঙ্কাল দুটি সি-ট্রাকের ঘাট ম্যানেজার মহিবুল ইসলাম নিপু এবং তার দোকান কর্মচারী রহমত উল্যার বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। হাতিয়া থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত নিপুর তেল দোকান থেকে দুইটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো কঙ্কাল দুটির পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

অগ্নিকাণ্ডে ৫টি দোকান পুড়ে গেছে বলেও জানান তিনি। পুড়ে যাওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে তেল, মুদি, মোবাইল, ওষুধ, স্পিড বোর্ডের যন্ত্রাংশের সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর দোকান। হাতিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল খায়ের জেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এর বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আরো পড়ুন