দেশের কৃষকদের বাঁচাতে ভারতের পেঁয়াজ কে বয়কট করুন

আমিনুল ইসলাম, চরফ্যাশন প্রতিনিধি৷৷

আমিনুল ইসলাম, চরফ্যাশন প্রতিনিধি৷৷
গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ভারত ইচ্ছে করে হঠাৎ পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধে বাংলাদেশের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল৷ আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ ২শত থেকে ৩শত টাকা দামে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ক্রয় করতে হয়েছে৷ তখন তাৎক্ষণিক পেঁয়াজ সংকটে পড়লেও ধীরে ধীরে পেঁয়াজ ট্রাজেডি কাটিয়ে উঠার চেস্টা করছে বাংলাদেশ৷

দেশের মানুষের কষ্ট লাগামের জন্য আমাদের কৃষকরা এবার যথেষ্ট পরিমান পেঁয়াজের উৎপাদন করেছেন৷ কিন্তু আমাদের কৃষকদের ধ্বংস করতে এবং ভবিষ্যতে পেঁয়াজ উৎপাদনে কৃষককে নিরুৎসাহিত করতে গত ২৮ ডিসেম্বর ভারতের কৃষকদের স্বার্থে হঠাৎ করে পেঁয়াজ রফতানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছে। আর এ সুবাদে একটি চক্র আমদানি করছে শত শত টন ভারতিয় পেঁয়াজ৷ তাই আসুন আমরা ঐক্য বদ্ধ ভাবে ভারতিয় পেঁয়াজ কে না বলি৷ প্রয়োজনে ২০ টাকার পেঁয়াজ ২৫ টাকায় ক্রয় করবো তারপরেও আমাদের কৃষকদের বাঁচাতে ভারতের পেঁয়াজ বয়কট করতে হবে৷

বাংলাদেশের বাজারকে টার্গেট করেই ভারত সরকার নতুন বছরের পহেলা জানুয়ারি থেকে পেঁয়াজ রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন আমাদেরও সময় এসেছে ভারতের পেঁয়াজকে ‘না’ বলা। পেঁয়াজ পচনশীল পন্য। সরকারির দায়িত্বশীলদের উচিত দেশের কৃষকদের উৎপাদিত পেঁয়াজের কথা চিন্তা করে ভারতীয় পেঁয়াজ যাতে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

ভোক্তাদের চাহিদা মেটাতে সরকার বিকল্প বাজার হিসেবে মিসর, তুরস্ক, চীন, পাকিস্তান, মিয়ানমারসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছিল৷ সে সময় পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। পেঁয়াজ সংকট মোকাবিলায় তুরস্ক, মিশরসহ অসংখ্য দেশ দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশের পাশে। মিশর ও তুরস্ক থেকে কার্গো বিমানে করে পেঁয়াজ এনে সংকট সামাল দেয়া হয়। এতে বিমানে প্রতিকেজি পেঁয়াজের পরিবহন খরচ পড়ে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। দেশের মানুষ ৩শত টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ খেতে বাধ্য হয়েছে। সে পেঁয়াজের দাম এখন কমতির দিকে। দেশে এখন পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়েছে। কৃষকরা ন্যার্য্যমূল্য পাওয়ার প্রত্যাশায় মশলাজাতীয় পণ্যটি উৎপাদন বাড়িয়ে দিয়েছেন। এমতাবস্থায় ভারতি পিঁয়াজ বয়কট করা আমাদের দেশের মানুষের একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করেন সচেতন মহল৷

আরো পড়ুন