ঝিনাইদহে অবস্থিত শিশু পরিবার কেন্দ্রেরএতিম শিশুরা পেল ইদের পোকাশসহ ইদ সামগ্রী

 

স্বীকৃতি বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

ইদ মানে আনন্দ, ইদ মানে খুশি।সেই খুশি ও আনন্দ যদি ধনী-গরিব,এতিম সবার মাঝে বিলিয়ে দেওয়া যায় তাহলে ভরে উঠে ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হয়ে।

পরিবারের কেউ না থাকায় আমাদের দেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত সরকারি শিশু পরিবার কেন্দ্রে বেড়ে উঠে অনেক শিশু কিশোর। অভাব অভিযোগ থাকে নিত্য সঙ্গী।ধর্মীয় উৎসবসহ বিশেষ দিনে তাদের মনের মাঝে লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের কোন উপায় থাকে না।সেই সব শিশুদের সুপ্ত বাসনাগুলো কিছুটা হলেও বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেন আমাদের সমাজেরই কিছু বৃহৎ হৃদয়ের মানুষ।
ঝিনাইদহ জেলায় অবস্থিত সরকারি শিশু পরিরার বালিকা কেন্দ্র। সেখানে ৭০ জন এতিম শিশু বেড়ে উঠছে জীবনের অনেক চড়াইউৎরাই পেরিয়ে।ঝিনাইদহের শিশু বিকাশ কেন্দ্রে বসবাসরত শিশুদের অনেকেরই নতুন জামাকাপড় ছিল না। তাদের স্বপ্ন ছিল নতুন পোকাশ কেনার।কিন্তু তাতে শঙ্কা দেখা দেয়।অবশেষে সেই শঙ্কা কেটেছে।

ইদের আনন্দকে আরও আনন্দময় করে তোলার জন্য ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিলেন ঝিনাইদহ জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ মজিবর রহমান।২০ জুলাই -২০২১ রোজ সোমবার আজ তিনি ঝিনাইদহ জেলার সরকারি শিশু পরিবার( বালিকা) কেন্দ্রে বসবাসরত অসহায় এতিম শিশুদের মাঝে ইদের আনন্দে যেন ভাটা না পরে সেজন্য আজ ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ মজিবর রহমান শিশু পরিবারটিতে যান। সেখানে বসবাসরত এতিম শিশুদের সাথে কথা বলেন এবং কিছুটা সময় কাটান। শিশুদের ইদের আনন্দ পরিপূর্ণ করে দিতে তাদের সবাইকে ইদের জামা, সাজগোজ করার জন্য কসমেটিক্স উপহার দেন। এছাড়াও কোরবানীর জন্য তাদের একটি খাসি ছাগল প্রদান করেন।

নতুন পোশাক পেয়ে কোমলমতি শিশুরা উল্লসিত হয়ে ওঠে। হাতে নতুন পোশাক নিয়ে মহাখুশি হয়ে শিশুরা বলাবলি করছিল, মনে করেছিলাম ইদে নতুন জামা পাব না। কিন্তু ইদের আগের দিন জেলা প্রশাসক আমাদের এখানে এসে সবাইকে নতুন জামা দিলেন। সাজগোজ করার জন্য কসমেটিকস দিলেন। এতে আমরা সবাই খুশি।আর তাদের এই খুশির মধ্যেই তো রয়েছে ইদের সত্যিকারের ভালবাসা।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সেলিম রেজা পিএএ, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম শাহীন, ঝিনাইদহ সমাজসেবার উপপরিচালক আব্দুল লতিব শেখ এবং ঝিনাইদহ সরকারি শিশু পিরবার বালিকা কেন্দ্রের উপ তত্ত্বাবধায়ক হাসানুজ্জামান।

আরো পড়ুন