জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে করোনা ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে সরাইল থানার পুলিশ

 

মোঃরিমন খান সরাইল( ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি।
অদৃশ্য ঘাতক করোনার বিস্তার ঠেকাতে সরকার ঘোষিত চলছে লকডাউন। করোনা পরিস্থিতিতে নিরাপদ থাকতে সবাই যেখানে বাসা-বাড়িতে অবস্থান করছেন। সেখানে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার পুলিশ।

কঠোর বিধি-নিষেধের পঞ্চম দিন গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সরাইল কুট্টাপাড়া প্রবেশ পথে এ চিত্র দেখা গেছে।

গত ২৩ জুলাই থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে দেশজুড়ে। এই সময়ে করোনার সংক্রমণ রোধে স্ব স্ব নিরাপত্তায় জনগণকে নিজ নিজ অবস্থানে বিশেষ করে বাসা-বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।

বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে শপিংমল, গার্মেন্টস, কলকারখানা, গণপরিবহন, রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন ধরনের বিনোদনকেন্দ্র ও সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। সেবাখাতের সঙ্গে সংশি¬ষ্ট এবং জরুরি খাদ্য, ওষুধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য এর আওতামুক্ত।

দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং জনগণ যেন অহেতুক বাসা-বাড়ি থেকে বের না হন সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে কাজ করছে পুলিশ সদস্যরা। পাশাপাাশি মাঠে আছে উপজেলা প্রশাসন, সামরিক বাহিনীর সদস্যরাও। সরাসরি মাঠ থেকে কাজ করছেন গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলে আখ্যায়িত গণমাধ্যম কর্মীরাও।

সরেজমিনে সকালে দায়িত্ব থাকা সরাইল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কবির হোসেন বলেন। মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। করোনাকালীন সময়ে আমরা মৃত্যু ঝুঁকিতে থেকেও সাধারণ মানুষকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে পারছি এটাই পরম পাওয়া।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আসলাম হোসেন বলেন, সবাই জানেন যে, এই দায়িত্ব পালনে আছে ঝুঁকি, আছে খোদ মহামারি করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও। তবুও ব্যক্তি স্বার্থ আর নিরাপত্তার চেয়ে মানবিক আর পেশার দায়িত্বকেই বেছে নিয়েছি।

জীবনের ঝুঁকির মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি পেশাগত দায়িত্ব পালনের। ঝুঁকি আছে তাও কাজ করে যেতে হবে। আমাদের নিরাপত্তার জন্য সচেতনতা তো আছেই সর্বোপরি মহান আল্লাহর উপর ভরসা রাখি।

আরো পড়ুন