ভাইরাস আক্রান্ত থেকে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছে পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরে গেছেন পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিভাগ বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে নিয়মিত তথ্য সংরক্ষণ করছে। এ নিয়ে কাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠান দ্য সেন্টার ফর সিস্টেম সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসএসই)।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া কভিড-১৯ করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৩ হাজার ৬৪৮ জন। যাদের মধ্যে ৫৪৫ জন ছাড়া বাকি সবাই চীনের নাগরিক।

পুরো বিশ্বে আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ সাত হাজার ৪৮৫ জন মানুষ। আক্রান্তদের অধিকাংশই চীনের হুবেই প্রদেশের বাসিন্দা। ডিসেম্বরের শেষে অঞ্চলটির রাজধানী উহান থেকে ভাইরাসটির উৎপত্তি।

তবে আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬০ হাজার ৬৩৭ জন মানুষ। ফলে যেভাবে দ্রুত করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে দেশে দেশে, এতে সুস্থ হয়ে ওঠার হারও বেশ আশাব্যাঞ্জক।

বয়স্ক এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভোগা মানুষকে বেশি আক্রান্ত করছে করোনাভাইরাস। তবে উহানের ১০০ বছর বয়সী আক্রান্ত এক ব্যক্তি সেরে ওঠেছেন এই রোগ থেকে। শনিবার তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়াও হয়েছে।
নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, আক্রান্ত ব্যক্তি আলঝেইমার রোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন।করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ফেব্রুয়ারির ২২ তারিখ হুবেইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।

এদিকে চীনের পর ভাইরাসটির সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ঘটেছে ইতালি, ইরান ও কোরিয়ায়। ইতালিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৩৩ জন। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৬ হাজার মানুষ। ইরানে মারা গেছে ১৯৪ জন মানুষ। সংক্রমণ ঘটেছে সাড়ে ৬ হাজার মানুষের দেহে। দক্ষিণ কোরিয়ায় মৃতের সংখ্যা ৫০। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে সাত হাজারের অধিক মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রের মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ জনে। ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউইয়র্কে জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা।

রবিবার বাংলাদেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের দুজন ইতালি ফেরত, অপরজন তাদের একজনের পরিবারের সদস্য বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আরো পড়ুন