চরফ্যাসন নীলিমা জ্যাকব ডিগ্রী কলেজে জাতীয় শোকদিবস পালিত

 

আমিনুল ইসলাম, চরফ্যাশন প্রতিনিধি৷৷

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীনতার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদত বার্ষিকী। বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে চরফ্যাশন দুলারহাট নীলিমা জ্যাকব ডিগ্রী কলেজ এই দিবসটি পালন করেন৷

রবিবার (১৫ আগস্ট) নীলিমা জ্যাকব ডিগ্রী কলেজ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করেন৷ অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ মনির আহমেদ শুভ্র, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, শিক্ষক-কর্মচারীগন উপস্থিত ছিলেন৷

আলোচনা সভায় অধ্যক্ষ মনির আহমেদ শুভ্র বলেন, সারাদেশে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে দিবসটি পালন করছে৷ বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর কারণে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি সীমিত করা হয়েছে৷ তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপদগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা , বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল৷ পৃথিবীর এই জঘন্যতম হত্যাকান্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ, মেয়ে বেবি ও সুকান্তবাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান। নিহত সকলের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি৷

আরো পড়ুন