চরফ্যাশন পৌরসভায় বাসায় হামলা চালিয়ে যুবককে মারধোর!

চরফ্যাশন প্রতিনিধি।
ভোলার চরফ্যাশনে শাহ্ এমরান মুসা (৩৭) নামের এক যুবককে পুলিশের উপস্থিতিতে মারধোর করার অভিযোগ উঠেছে ইব্রাহিম ও মেহেদির বিরুদ্ধে। মারধোর এর পূর্বে মুসার বসতি ঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় আসবাবপত্র।

চরফ্যাশন পৌরসভা ৭নং ওয়ার্ডে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। হামলার শিকার শাহ্ এমরান মুসা অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনের ছেলে। ঘটনার দিন নাসির উদ্দিন ধর্মীয় কাজে তাবলীগ জামায়াতে ছিলেন।

একাধিক সুত্রে জানা যায়, চাচাতো বোনের বিরুদ্ধে বদনাম রটানোর মিথ্যা অভিযোগ তুলে ছোট চাচা মোঃ আবুল কাশেম এর ছেলে ইব্রাহিম ও মেহেদি মিলে মুসার বসত ঘরে হামলা চালিয়ে দরজা জানালাসহ আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এসময় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও চরফ্যাশন থানা পুলিশের সামনে মুসাকে বেপরোয়া ভাবে মারধোর করে। পুলিশ মুসাকে উদ্ধার নাকরে উল্টো অপরাধীর পক্ষ নিয়ে হাতে হ্যান্ডকাফ লাগাতে চেয়েছে। স্থানিয় কাউন্সিলর এর সুপারিশে তা আর করেনি থানা পুলিশ। হামলার সময় মেহেদি ভুক্তভোগী মুসার উদ্দেশ্যে বলতে থাকেন, আমার ক্ষমতা সম্পর্কে জানিস ১মিনিটে তোকে শেষ করে দিব তুই আমার কিছুই করতে পারবিনা।

এবিষয়ে মুসা বলেন, ইব্রাহিম ও মেহেদি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে চাচার সামনে আমাকে গালমন্দ করে ঘরের দিকে আসতে দেখে আমি ভয়ে দরজা জানালা বন্ধ করে পরিবারসহ ঘরের ভিতরে চুপচাপ ছিলাম। ওরা আমাদের ঘর ভাংচুর ও আমাকে মেরেফেলবে বলে চিৎকার করতে থাকে। ঘটনাটি আমি মুঠোফোনে পুলিশকে জানিয়ে সহয়তা কামনা করলে পুলিশ ঘটনা স্থলে আসে। একই সময়ে সেখানে স্থানীয় কাউন্সিলর মোস্তাহিদুল হক তানভিরও উপস্থিত হন। পুলিশ ও কাউন্সিলর কে দেখে আমি ঘরের দর্জা খুলে দেই। তারা বিষয়টি ফয়সালা দেয়ার চেষ্টা কালে সকলের উপস্থিতিতে মেহেদি এবং ইব্রাহীম আমাকে মারধর শুরু করেন। এসময় পুলিশ সদস্যরা উদ্বার না করে ঘটনাস্থলে নিরব দাঁড়িয়ে ছিলেন বলে সংবাদকর্মীদের কাছে অভিযোগ করেন মুসা। তিনি আরো বলেন আমি ও আমার পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। ওরা আবার যেকোন সময় হামলা করতে পারে। আমাদের কে বাচাঁন।

৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোস্তাহিদুল হক তানভির জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টির সমাধান দেয়ার চেষ্টা করেছেন তবে প্রতিপক্ষ ইব্রাহিম এবং মেহেদি তার সামনে মুসাকে মারধর করেছে। এসময় সেখানে অবস্থানরত পুলিশ মুসাকে উদ্ধার না করে হাতকড়া লাগানোর চেষ্টা করেন।

চরফ্যাশন থানা অফিসার ইনচার্জ মনির হোসেন বলেন, হামলার ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। ভুক্তভোগী অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরো পড়ুন