কেউ যাতে দালালের খপ্পরে পড়ে বিদেশ না যায়: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন আমাদের মা বোনদের কেউ যাতে দালালদের খপ্পরে পড়ে বিদেশ না যায়।সেদিকে সবার খেয়াল রাখতে হবে এবং সচেতন হতে হবে।আমরা ইতোপূর্বে নারীদের নিয়ে এই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি।আজ শনিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে মহিলা শ্রমিকলীগের সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন অনেক সময় দেখা যাচ্ছে পরিবারের লোকজন কিংবা শ্বশুর বাড়ির লোকজন অত্যাচার করে বিদেশে বা অন্য কোথাও বিক্রি করে দেয়। এসব তথ্য কোথাও পেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সারাদেশে আমরা ১০০টি অঞ্চল করেছি, সেখানে মহিলাদের জন্য কর্মসংস্থানের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এখন মহিলারা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোগ গ্রহণ করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছেন। এজন্য এসএমই ফাউন্ডেশন তাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও লোন দিয়ে সহযোগিতা করছে।

উল্লেখ্য দীর্ঘ ১৫ বছর পর মহিলা শ্রমিক লীগের জাতীয় সম্মেলন শুরু হয়েছে।মহিলা শ্রমিক লীগ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালের পর আর সম্মেলন হয়নি সংগঠনটির। গত ১৫ বছর ধরে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন রওশন জাহান সাথী। তিনি নবম সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। একই সময় ধরে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন শামসুন্নাহার বেগম। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, নতুন নেতৃত্ব ও সংগঠনকে গতিশীল করতেই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। অনেক যোগ্য ব্যক্তি আছে যারা সংগঠনকে নেতৃত্ব দিতে পারে। বর্তমানে সংগঠনটির ৪১ জেলায় পূর্ণাঙ্গ ও আহ্বায়ক কমিটি রয়েছে।

মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি রওশন জাহান সাথী বলেন, একটা সম্মেলনে নতুন নেতৃত্ব আসে। সম্মেলন সংগঠনকে জাগিয়ে তোলে এবং সেখানে নতুন কমিটি তৈরি হয়। আমরাও এ ধরনের প্রত্যাশা নিয়েই আছি। যারা সংগ্রামী, যারা যোগ্য যারা নিবেদিত প্রাণ, সৎ এ রকম নেতৃত্ব আসবে বলে আমরা আশা করছি।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য শামসুন্নাহার বেগম বলেন, এ সম্মেলনটা বহু দিন পরে হতে যাচ্ছে। বিভিন্ন কারণে সম্মেলনটা করতে পারিনি। এখন সম্মেলন হওয়া মানে সংগঠনকে গতিশীল করা, নতুন উদ্যোমে কাজ করা। যে লক্ষ্যে আমাদের মহিলা শ্রমিক লীগ গঠিত হয়েছিল সেই লক্ষ্যে পৌঁছানো হচ্ছে সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।

আরো পড়ুন