আমি একসাথে অনেকগুলো কাজ করি। আবার মাঝে মাঝে কিছুই করিনা পুরো বেকার থাকি।

সুপ্তা চৌধুরী

আমি একসাথে অনেকগুলো কাজ করি। আবার মাঝে মাঝে কিছুই করিনা পুরো বেকার থাকি।

অনেকে জিজ্ঞেস করে একসাথে এত কাজ কি করে করো?!

আমার পরামর্শ হলো, প্রথমে আপনার নিজেকে ফিট করতে হবে কাজের জন্য। এই ফিট মানে আবার ফিজিক্যাল ফিট না। মেন্টালি আপনাকে পুরো কনফিডেন্স এর সাথে ফিট করতে হবে।

এরপরে আপনাকে অবশ্যই সময়কে মূল্য দিতে হবে। একটা দিনের সময়গুলোকে ভাগ করে নিতে হবে আপনি কোথায় কোন কাজের জন্য কতটুকু সময় দিবেন! এবং কতটুকু সময়ের মাঝে নিখুতভাবে আপনি আপনার কাজ শেষ করবেন প্রশংসার সাথে।

যদি একই দিনে একটু বেশি কাজের সিডিউল পরে যায় তাহলে আপনাকে ম্যানেজ করতে হবে একাধিক দিন চয়েজ করে। কিন্তু মেইন কাজ যেকোন একটাকে ফোকাস করতে হবে এবং সেটা ঠিক রেখে বাকিগুলো।

এরপরে ফ্যামিলি ও ব্যক্তিগত ঝামেলা তো আছেই।

তবে সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট হলো কাজের সময় অযথা কথা বলে সময় নষ্ট না করা। কাজের সময় পুরো ফোকাস শুধু কাজেই দেওয়া। আমি যখন অনেক ব্যস্ত থাকি অথবা কাজে পুরোপুরি মনোযোগী থাকি যত ফোন কলই আসুক, যারই কল আসুক আমি পিক করিনা। এটা সবাইকে করতে হবে এমন না। আমি জাস্ট আমার মনোযোগ হারাতে দেইনা। আমি আমার নিজের কাজগুলো অন্যকে দিয়ে করিয়ে শান্তি পাইনা। যেমন পরীক্ষায় ৯৫ মার্কের এন্সার করেও আমি সেটিসফাই হইনা। সেম কাজের বেলাতেও।

ফ্যামিলি বা ব্যক্তিগত সমস্যা গুলো নির্দিষ্ট একটা সময়ের জন্য পার্ট করে রাখুন। আপনি যদি সারাদিন ব্যক্তিগত বিষয় নিয়েই বিজি থাকেন তাহলে কিছু করে দেখানো বা কাজ করার চেষ্টা আপনার জন্য নয়। বেটার হয় ঘরে থাকুন।

আপনার হাজার মন খারাপ থাকুক, আপনার কর্মক্ষেত্রে এটার ইফেক্ট পরা যাবে না। ধরেন আমার একটা নিউজ ভুল হলো, আমার মন খারাপের কারনে। সেটা অলরেডি ৫০,০০০ মানুষ পড়ে ফেলছে & আমাকে গালিও দিবে। কারন আমি তো ওই ৫০,০০০ মানুষ কে গিয়ে গিয়ে বোঝাতে পারবনা যে ভাই আমার মন খারাপ ছিল তাই ভুল হয়েছে।

অভিনয় বলেন আর কাজ যেটা লাস্ট করবেন চেষ্টা করবেন আপনার বেস্ট দিতে, কারন, এমনও হতে পারে এটাই আপনার শেষ কাজ।

আরো পড়ুন