আওয়ামী লীগ সরকারই বীরকন্যাদের যথোপযুক্ত সম্মান ও স্বীকৃতি দিয়েছে- সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি

সাংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেছেন, বিএনপি-জামাত সরকারের আমলে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরকন্যারা ছিলেন নীরবে-নিভৃতে। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাঁদের সম্মান ও স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারই মুক্তিযোদ্ধা, বীরঙ্গনাসহ বীরকন্যাদের যথোপযুক্ত সম্মান ও স্বীকৃতি দিয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের কিছু সংগঠন। তেমনই একটি নারীদের সংগঠন ‘চেষ্টা’।

প্রতিমন্ত্রী গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর ঢাকা ক্লাব লিমিটেড এর স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে মহান স্বাধীনতার মাসকে কেন্দ্র করে এবং ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে নারী সংগঠন ‘চেষ্টা’ কর্তৃক কয়েকজন বীরকন্যাকে সম্মাননা ও সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের নেতৃত্বে ‘গণহত্যা নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্র’ ২০টি জেলায় জরিপ চালিয়ে ইতোমধ্যে পাঁচ হাজারের অধিক বধ্যভূমি চিহ্নিত করেছে। তাঁদের জরিপ পুরোপুরি শেষ হলে দেশব্যাপী আরো কয়েক হাজার বধ্যভূমি চিহ্নিত হবে। আর এ থেকে বোঝা যায়, পাকিস্তানি হানাদার চক্র মহান মুক্তিযুদ্ধে কি ভয়াবহ গণহত্যা ও নির্যাতন চালিয়েছে। প্রতিমন্ত্রী এ সময় ‘চেষ্টা’ সংগঠনকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে প্রতিবছর এক লক্ষ টাকা হারে এবং সংবর্ধিত বীরকন্যাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে প্রত্যেককে ৫০,০০০/- (টাকা) করে অনুদানের ঘোষণা প্রদান করেন।

‘চেষ্টা’র সভাপতি সেলিনা বেগম শেলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদ সদস্য মেহের আফরোজ চুমকি ও আরমা দত্ত। শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন চেষ্টা’র উপদেষ্টা সাবেক সেনাপ্রধান ও সাবেক রাষ্ট্রদূত লে. জেনারেল এম হারুন অর রশীদ বীরপ্রতীক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. হারুন অর রশিদ, চেষ্টা’র সিনিয়র সহসভাপতি রাফেয়া আবেদীন ও সহসভাপতি সাদেকুন নাহার পাপড়ি।

আরো পড়ুন